জোড়া সপ্তমী বা নবমী নয়। গোটা পুজোই হবে দু’বার করে। ২০২৮ সালে এমনই এক বিরল দুর্গাপুজোর সাক্ষী থাকতে চলেছে বাংলা ও বাঙালি। যা নিয়ে এখন থেকেই তোলপাড় পাড়ার ঠেক থেকে সমাজমাধ্যম।
০১ / ১৫
দু’দিন সপ্তমী তিথি পড়ায় ২০২৬ সালের দুর্গাপুজোয় আনন্দ উদ্যাপনের জন্য বাড়তি একটি দিন মিলেছিল। এক দিন বেশি ছুটি পেয়ে বাঙালিও খুশি।
০২ / ১৫
আগামী বছরেও দুর্গাপুজো হবে পাঁচ দিনের। সূর্য সিদ্ধান্ত অনুসারে ২০২৭ সালে দু’দিন অষ্টমী পড়েছে। আবার বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০২৭-এ নবমী দু’দিন।
০৩ / ১৫
কিন্তু আসল খেলা লুকিয়ে তার পরের বছর অর্থাৎ ২০২৮ সালের দুর্গাপুজোয়। যা নিয়ে তুমুল চর্চা চলছে।
০৪ / ১৫
২০২৮-এ দু’বার দুর্গাপুজো আয়োজিত হবে। সমাজমাধ্যমে এ নিয়ে তুঙ্গে জল্পনা।
০৫ / ১৫
কবে অষ্টমীর অঞ্জলি দেওয়া হবে? স্কুল, কলেজ, অফিসে ছুটি কবে পড়বে? প্যান্ডেল হপিংয়ের কী হবে? ইত্যাদি প্রশ্নে এখন থেকে দিশেহারা বাঙালি।
০৬ / ১৫
এক মতে অনুসারে, ২০২৮ সালের সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে দুর্গাপুজো হবে। অন্য মতে, দুর্গাপুজো হবে অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে।
০৭ / ১৫
২০২৮ সালের দু’টি দুর্গাপুজোর মধ্যে ১৫ দিনের বেশি ব্যবধান থাকবে।
০৮ / ১৫
বাংলায় মূলত দুটি মত অনুসারে দুর্গাপুজো আয়োজিত হয়। একটি বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত, অপরটি সূর্য সিদ্ধান্ত।
০৯ / ১৫
বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত হল দৃকসিদ্ধ গণনা। অন্যদিকে, মহাজাগতিক অবস্থান দেখে সূর্য সিদ্ধান্তে তিথি, নক্ষত্র গণনা করা হয়।
১০ / ১৫
বেলুড় মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশন, ভারত সেবাশ্রম সংঘের মতো মঠ, মন্দির, আশ্রম ইত্যাদি সংস্থাগুলি বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত মতে পুজোর আয়োজন করে। তাদের পুজো হবে সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে।
১১ / ১৫
বনেদি বাড়িগুলিতে এবং বারোয়ারি, সর্বজনীন পুজো হয় সূর্য সিদ্ধান্ত মেনে। তারা পুজো করবেন অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে।
১২ / ১৫
এক বছরে জোড়া দুর্গাপুজোকে বিরল ঘটনা হিসাবে দেখছে আম বাঙালি। যদিও অতীতে এমন নজির আছে।
১৩ / ১৫
আটের দশকে দুই সিদ্ধান্ত মেনে এক বছরে দু’বার দুর্গাপুজো হয়েছিল। ১৯৮০ সালে দুই মতে আয়োজিত পুজোর মধ্যে মাস খানেকের ব্যবধান ছিল।
১৪ / ১৫
দু’বার পুজো হলেও কোনওটিই ভুল বা বেঠিক নয়। দুটিই শাস্ত্রসম্মত। দুই পুজোয় মানুষ অংশগ্রহণ করতে পারবে। অঞ্জলি ও পুজো দেওয়ার মতো যাবতীয় আচার ও রীতি পালন করা যাবে দু’বারই।
১৫ / ১৫
দু’বার পুজো বলে জোড়া ‘পুজোর ছুটি’ কিন্তু নয়। অফিস, স্কুল, কলেজে ছুটি একবারই মিলবে! যে সময় বারোয়ারি পুজো হবে, কেবল তখন। এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।
