জুলাই হত্যাচেষ্টা মামলায় ৪ দিনের রিমান্ডে দিলীপ আগরওয়ালা
চ্যানেল আই অনলাইনপ্রকাশ:
অডিও সংবাদএই খবরটি পডকাস্টে শুনুন
ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দিলীপ কুমার আগরওয়ালাকে এবার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হত্যাচেষ্টার মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে চার দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দিয়েছেন আদালত।
বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হক শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
এর আগে সোনা ও হীরা কেনার উৎস নিয়ে মানিলন্ডারিংয়ের মামলায় গতকাল দিলীপ আগরওয়ালাকে এক দিনের রিমান্ডে দিয়েছিলেন আদালত।
ঢাকা মহানগর আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত দিলীপ আগরওয়ালাকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করে, চার দিনের রিমান্ডের আদেশ দিয়েছেন।
পুলিশের আবেদনে বলা হয়, মামলার ঘটনার রহস্য উদঘাটন, হামলায় জড়িত অন্য আসামিদের পরিচয় শনাক্ত এবং ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারের জন্য দিলীপ আগরওয়ালাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। এ কারণে তাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হয়।
মামলাটি করা হয় রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায়। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিএনএস সেন্টারের পশ্চিম পাশে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলা ও গুলির ঘটনায় এ মামলা হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার বাদীর অভিযোগ, ওই দিন সরকার পতনের এক দফা দাবিতে শান্তিপূর্ণ অবস্থানে থাকা ছাত্র-জনতার ওপর আসামিদের নির্দেশে প্রাণঘাতী অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়। এ সময় গুলিতে বাদী আব্দুল জব্বার মেরুদণ্ডের নিচে ও কোমরের ওপরের অংশে আহত হন। পরে তাকে দীর্ঘ সময় হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়।
উত্তরা পশ্চিম থানায় ২০২৫ সালের ২৭ মার্চ করা এ মামলায় দণ্ডবিধির ১৪৩, ১৪৭, ১৪৮, ৩০৯, ৩২৬, ১০৯ ও ১১৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার সোনা ও হীরা কেনার উৎস এবং মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে গুলশান থানায় করা মামলায় দিলীপ আগরওয়ালার এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। ওই মামলায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) তিন দিনের রিমান্ড চেয়েছিল। শুনানি শেষে আদালত এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন এবং আসামিপক্ষের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।
দিলীপ কুমার আগরওয়ালা কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক উপকমিটির সদস্য এবং চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ছিলেন। ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সোনা ও হীরা চোরাচালান, প্রতারণা, জালিয়াতি ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করেছিল র্যাব। পরে তিনি জামিনে মুক্তি পান।
পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…
