গভীর রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙে হঠাৎ ছড়িয়ে পড়ে আগুনের লেলিহান শিখা। মুহূর্তেই দাউদাউ করে জ্বলতে থাকে দোকানপাট ও গুদাম। আগুনের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা পায়নি পবিত্র মসজিদও। চোখের সামনে পুড়ে যায় ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান, জমে থাকা মালামাল আর বহু দিনের পরিশ্রমে গড়ে তোলা স্বপ্ন।
গভীর রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙে হঠাৎ ছড়িয়ে পড়ে আগুনের লেলিহান শিখা। মুহূর্তেই দাউদাউ করে জ্বলতে থাকে দোকানপাট ও গুদাম। আগুনের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা পায়নি পবিত্র মসজিদও। চোখের সামনে পুড়ে যায় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, জমে থাকা মালামাল আর বহু দিনের পরিশ্রমে গড়ে তোলা স্বপ্ন।
গাজীপুরের শ্রীপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে এমনই হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৩টার দিকে শ্রীপুর পৌরসভার চন্নাপাড়া এলাকার ২ নম্বর সিএন্ডবি বাজারের সাখাওয়াত ও আখতার মার্কেট কমপ্লেক্সে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে একটি মসজিদ, একাধিক দোকান এবং ঝুট ও তুলার গুদাম পুড়ে গেছে। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
আগুনে পুড়ে যাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে রফিকুল ইসলামের স্যানিটারি পণ্যের দোকান, ফালান মিয়ার মুরগির দোকান, শফিকের ঝুট ও তুলার গুদাম, একটি ভাঙারি লোহার দোকান এবং বায়তুল জান্নাত জামে মসজিদ।
ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে থাকা মালামাল পুড়ে যাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের মধ্যে নেমে এসেছে অনিশ্চয়তা। এক রাতের আগুনে তাঁদের কত দিনের পরিশ্রম ও কত টাকার সম্পদ হারিয়ে গেছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। একই সঙ্গে মসজিদটি পুড়ে যাওয়ার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যেও শোকের আবহ তৈরি হয়েছে।
মাওনা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা নুরুল করিম জানান, ভোর ৩টা ৫৫ মিনিটে তাঁরা আগুন লাগার খবর পান। খবর পাওয়ার পর মাওনা ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে।
আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় পরিস্থিতি মোকাবিলায় শ্রীপুর ফায়ার স্টেশনের একটি ইউনিট এবং রাজেন্দ্রপুর মডার্ন ফায়ার স্টেশনের আরও একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যোগ দেয়। চারটি ইউনিটের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সকাল ৫টা ৪৮ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
তবে আগুনের ভয়াবহতায় কী পরিমাণ সম্পদের ক্ষতি হয়েছে, তা এখনো নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি। কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কত, তা তদন্তের পর জানা যাবে বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের ওই কর্মকর্তা।
