পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের ১১টি ট্রেন ইজারা দেওয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে চারটি ট্রেনের দরপত্র দাখিল সম্পন্ন হয়েছে। বাকিগুলোর পর্যায়ক্রমে দরপত্র আহ্বান করা হবে।
জানা গেছে, রাজস্ব ঘাটতির কারণে এই ১১টি মেইল ও লোকাল ট্রেন ইজারা দেওয়া হবে। কর্তৃপক্ষের আশা, এর মধ্য দিয়ে ট্রেনগুলো লাভের মুখ দেখবে। বর্তমানে পশ্চিমাঞ্চলে সাত জোড়া, অর্থাৎ ১৪টি ট্রেন বেসরকারিভাবে চলাচল করছে।
রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, পার্বতীপুর-রংপুরের মধ্যে চলাচল করা ‘রমনা কমিউটার’ ট্রেনের দরপত্র দাখিল সম্পন্ন হয়েছে। বোনারপাড়া জংশন থেকে পার্বতীপুরের মধ্যে চলাচল করা ‘রামসাগর মেইল’ ট্রেনের দরপত্র দাখিল হয়েছে।
লালমনিরহাট থেকে বুড়িমারীর মধ্যে চলাচল করা ‘বুড়িমারী কমিউটার’ ট্রেন এবং পার্বতীপুর থেকে লালমনিরহাট স্টেশনের মধ্যে চলাচল করা ‘লালমনি কমিউটার’ ট্রেনের দরপত্র পড়েছে। পরে রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জের মধ্যে চলাচল করা পুনর্ভবা ও মল্লিকা ট্রেনের দরপত্র আহ্বান করা হবে।
জানা গেছে, রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলে ছয়টি আন্তর্জাতিক (ভারত) ট্রেন, ৬২টি আন্তঃনগর ট্রেন, ৫৫টি মেইল ও কমিউটার ট্রেন এবং ১২টি লোকাল ট্রেন চলাচল করে। এর মধ্যে বেসরকারি অপারেটরদের কাছে ২৪টি মেইল, কমিউটার ও লোকাল ট্রেন ইজারা দিয়ে প্রতি মাসে আয় হচ্ছে প্রায় ১ কোটি ৩৩ লাখ টাকা।
এদিকে রাজস্ব বাড়ায় ১১টি মেইল ও লোকাল ট্রেনও বেসরকারি অপারেটরদের কাছে হস্তান্তর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে প্রতি বছর মোটা অঙ্কের লোকসান থাকবে না, বাড়বে রাজস্ব।
পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের প্রধান বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক আহসান উল্লাহ ভূঁইয়া বলেন, লোকাল ট্রেন থেকে কম আয় হয়। এর অন্যতম প্রধান কারণ যাত্রীদের টিকিট কিনতে অনীহা। রাজস্ব বৃদ্ধি এবং সেবার মানোন্নয়নের লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।