জুলাই গণঅভ্যুত্থানে চট্টগ্রামে ছাত্রদল নেতা ওয়াসিম আকরামসহ ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল ও সাবেক সংসদ সদস্য এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরীসহ ২২ আসামির অভিযোগ গঠনের আদেশ পুনর্বিবেচনার আবেদন খারিজ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
একই সঙ্গে মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন ও সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৫ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত। সোমবার (১৯ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ আদেশ দেন।
বিজ্ঞাপন
এর আগে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনের সময় চট্টগ্রামে ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় করা এ মামলায় ২২ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল। পরে অভিযোগ গঠনের আদেশ পুনর্বিবেচনার আবেদন করেন আসামিপক্ষ। আবেদনের শুনানি শেষে তা খারিজ করে দেন আদালত।
মামলার ২২ আসামি হলেন- সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, সাবেক সংসদ সদস্য এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, রেজাউল করিম, মহিউদ্দিন বাচ্চু, হেলাল আকবর, নুরুল আজিম রনি, শৈবাল দাশ সুমন, মোহাম্মদ ফিরোজ, আবু ছালেক, এসবারুল হক, এইচ এম মিঠু, নূর মোস্তফা টিনু, দেবাশীষ পাল দেবু, জমির উদ্দিন, আজিজুর রহমান, ইমরান হাসান মাহমুদ, জাকারিয়া দস্তগীর, মহিউদ্দিন ফরহাদ, সুমন দে ও তৌহিদুল ইসলাম।
বিজ্ঞাপন
মামলার আসামিদের মধ্যে আটজন কারাগারে রয়েছেন। অন্যরা পলাতক।
মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে মোট তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রথম অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই চট্টগ্রামে মো. ওয়াসিম আকরাম, ফয়সাল আহমেদ শান্ত ও মো. ফারুককে হত্যা করা হয়। দ্বিতীয় অভিযোগে ১৮ জুলাই তানভীর সিদ্দিকী, সায়মন ওরফে মাহিম ও হৃদয় চন্দ্রকে হত্যার কথা বলা হয়েছে। তৃতীয় অভিযোগে একই ঘটনাপ্রবাহে শতাধিক ছাত্র-জনতাকে গুরুতর আহত করার অভিযোগ আনা হয়েছে।
আগামী ১৫ নভেম্বর রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্যের মধ্য দিয়ে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
এফএইচ/এমএএইচ/
ফলো করুন
পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন jagofeature@gmail.com ঠিকানায়।
