The Sangbad · সাধারণ
সৌদিতে হুতিদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, রিয়াদে আহত ৪
১৪/১০/২০২৬

ইয়েমেনের রাজধানী সানায় সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের বিমান হামলার জবাবে সৌদি আরবের ভূখণ্ডে পাল্টাপাল্টি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা। হামলায় দেশটির রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর একটি প্রশাসনিক ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া রাজধানী রিয়াদে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পড়ে অন্তত চারজন আহত হয়েছেন এবং ১৫টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় শহর ধাহরানে অবস্থিত আরামকোর ওই ভবনে হামলাটি চালানো হয়। এতে তাৎক্ষণিকভাবে অগ্নিকাণ্ড ঘটলেও কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। সৌদি আরবের জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইয়েমেনের রাজধানী সানার আল-সাবাহ এলাকায় হুতি নিয়ন্ত্রিত একটি তেল স্থাপনায় সৌদি জোটের হামলার কয়েক ঘণ্টার মাথায় ধাহরানে আরামকোর ভবনে এই হামলা চালানো হয়।এর আগে হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি সৌদি আরবের বিভিন্ন জ্বালানি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার আশপাশে থাকা বেসামরিক নাগরিকদের সরে যাওয়ার কড়া হুশিয়ারি দেন। তিনি স্পষ্ট জানান, সানায় আঘাত হানা হলে সৌদি রাজধানী রিয়াদে ‘কঠোর ও যন্ত্রণাদায়ক’ পাল্টা জবাব দেওয়া হবে। হুতিরা ধাহরানে আরামকোর সদর দপ্তর, রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং একটি তেল শোধনাগারকে তাদের সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হিসেবে চিহ্নিত করেছিল।এদিকে সৌদি আরবের বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগ জানিয়েছে, রিয়াদ লক্ষ্য করে ধেয়ে আসা দুটি ক্ষেপণাস্ত্র আকাশেই ধ্বংস করে দেওয়া হয়। তবে সেগুলোর ধ্বংসাবশেষ আবাসিক এলাকায় গিয়ে পড়লে চারজন আহত হন। তুরস্কভিত্তিক সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড জানায়, আল-খারজ এলাকাতেও হুতিদের ছোড়া আরও একটি ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে প্রতিহত করেছে যৌথ বাহিনী।সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি অভিযোগ করেছেন, হুতিরা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের অস্ত্রভাণ্ডার হিসেবে বিভিন্ন জ্বালানি স্থাপনা ও ভূগর্ভস্থ ডিপো ব্যবহার করে আসছে। অন্যদিকে, ইয়েমেনের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর দাবি, সৌদি জোটের হামলায় সানার আল-সাবাহ ছাড়াও হোদেইদা ও রাস ইসা বন্দরের জ্বালানি সংরক্ষণাগারগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তেল সংকট দেখা দিতে পারে–এমন আশঙ্কায় সানায় পাম্পগুলোতে যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে।
মূল প্রতিবেদনে যান ↗