গত চারদিন ধরে বন্ধ ছিল সেলুন। খোঁজ মিলছিল না সেলুনের মালিকের। এদিকে পচা দুর্গন্ধ ছড়াতেই সন্দেহ হয়। শাটার ভেঙে উদ্ধার হল ওই যুবকের গলায় ফাঁস লাগানো দেহ! মৃতদেহে পচন ধরেছে। ওই তরুণকে কি খুন করা হয়েছে? নাকি অন্য কিছু? সেই প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। দেবীপক্ষে তৃতীয়ায় হাড়হিম ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার কল্যাণীতে। মৃতের নাম অমিত শীল।
বছর ৩৫ বয়সী অমিত শীলের বাড়ি গয়েশপুর পুরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাতরাপাড়ার। বাজার এলাকায় একটি সেলুন ভাড়ায় নিয়ে ব্যবসা করতেন তিনি। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, গত চারদিন ধরে ওই সেলুন বন্ধ ছিল। অমিতকেও দেখা যায়নি এলাকায়। গত দু’দিন ধরে দোকানের ভিতর থেকে পচা দুর্গন্ধ বের হতে শুরু করে। প্রথমে তেমন কোনও গা করেননি লোকজন। এদিন সকাল থেকেই দুর্গন্ধে টেকা দায় হয়ে গিয়েছিল ওই এলাকায়।
খবর দেওয়া হয় কল্যাণী থানায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দোকানের শাটার ভাঙে। ভিতরে দেখা যায় হাড়হিম করা দৃশ্য। গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় কার্যত দাঁড় করানো রয়েছে অমিতের মৃতদেহ। মুখ কালো কালো প্লাস্টিক দিয়ে ঢাকা ছিল। পাশাপাশি দোকানের ভিতরে টাওয়েল ও লুঙ্গি দিয়ে ঘেরাটোপ তৈরি করা ছিল বলেও জানা গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে যুবকের মৃত্যুর কারণ নিয়ে তৈরি হয়েছে রহস্য। তাহলে কি এটা আত্মহত্যা? নাকি খুন করা হয়েছে অমিতকে? স্থানীয় সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, প্রশান্ত দে নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে প্রায় এক বছর আগে দোকানটি ভাড়া নিয়েছিলেন অমিত শীল। তাঁর সঙ্গে কারও কোনও শত্রুতা ছিল কিনা, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।
