।। খবর বিজ্ঞপ্তি।।
শারদীয় দুর্গাপূজার আনন্দ অসচ্ছল ও প্রান্তিক শিশুদের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নিতে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘হাসিমুখ ফাউন্ডেশন’-এর উদ্যোগে শিশুদের মাঝে নতুন পোশাক বিতরণ করা হয়েছে। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মুখে হাসি ফোটানো এবং তাদের মধ্যে উৎসবের আনন্দ ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যেই এ মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করে সংগঠনটি। হাসিমুখ ফাউন্ডেশনের সভাপতি সৈয়দ নওসাদুজ্জামান পল্টুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বাবু প্রশান্ত কুমার কুন্ডু, হাসিমুখ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ডা. আইস লক্ষণ কুমার, উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিল্টন, ২২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সিরাজুল ইসলাম লিটন এবং শ্রী শ্রী কালীবাড়ি কয়লাঘাট মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক দীপক কুমার দত্ত। অনুষ্ঠানের শুরুতে মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে হাসিমুখ ফাউন্ডেশনের নেতৃবৃন্দকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পুলক কান্তি দাস, মনোজ কুমার দাস, শুভাগত দত্ত শুভ, পরিতোষ কুমার সরকার, আকাশ দাস ও কৃষ্ণ কুমার বণিক। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন হাসিমুখ ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সঞ্চিতা দে। এ ছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহ-সভাপতি বনানী সুলতানা ঝুমু, তানভীর ইসলাম, আল মামুন বাদল, কাজী পারভেজ চঞ্চল, মনোয়ার হোসেন লাভলু, মাহবুবুল হক, ইরাক আলী, মেজবাহ, আইভি বিশ্বাসসহ ফাউন্ডেশনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা।
অনুষ্ঠানে অতিথির বক্তব্যে বাবু প্রশান্ত কুমার কুন্ডু হাসিমুখ ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন মানবিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, “শিশুদের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি তাদের সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে সামাজিক সংগঠনগুলোকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।” হাসিমুখ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ডা. আইস লক্ষণ কুমার বলেন, “শিশু শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও মানবিক কল্যাণমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই এ সংগঠনের মূল লক্ষ্য।” সংগঠনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিল্টন বলেন, “উৎসবের আনন্দ সবার সঙ্গে ভাগাভাগি করে নেওয়ার মধ্য দিয়েই মানবিকতা, সহমর্মিতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার বিকাশ ঘটে। এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে।” সভাপতির বক্তব্যে সৈয়দ নওসাদুজ্জামান পল্টু বলেন, “শিশুদের মুখে হাসি ফোটানো এবং সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো হাসিমুখ ফাউন্ডেশনের অন্যতম অঙ্গীকার। আমাদের এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”

