পুজোর সময় মণ্ডপের বাইরে হরেক রকমের খাবারের স্টল নতুন নয়। প্রায় সব প্যান্ডেলের বাইরেই এই দোকানগুলির রমরমা থাকে। আট থেকে আশি, সকলেই ঠাকুর দেখতে এসে মেলার এই সব দোকান থেকে খাবার খান। সেখানেই পচা ও বাসি খাবার বিক্রির অভিযোগ উঠল। ঘুগনি থেকে শুরু করে পনিরের বিভিন্ন পদ, মুখরোচক খাবার সাজিয়ে পচা খাবার বিক্রির অভিযোগ উঠেছে এই দোকানগুলির বিরুদ্ধে। এর বিরুদ্ধেই অভিযান খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের।
দুর্গা পুজো শেষ হয়েছে। এখনও বাকি, লক্ষ্মীপুজো, কালীপুজো। দুর্গাপুরে বহু মেলা লক্ষ্মীপুজো পর্যন্ত থাকে। পুজোর মরশুমে ঠাকুর দেখার পাশাপাশি রাস্তার ধারের খাবারের দোকানগুলিতে ভিড় করেন বহু মানুষ। আর সেই ভিড়ের সুযোগে খাবারের গুণমান ও স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে কোনওরকম আপস করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। পচা ও বাসি খাবার খেয়ে সাধারণ মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ার আশঙ্কাও বাড়ছে। এমন অভিযোগ ও পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে এবার অভিযানে নামল খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর। দুর্গাপুরের ক্ষুদিরাম ময়দানের মেলা-সহ ইস্পাত নগরীর বিভিন্ন পুজো মণ্ডপের সামনে থাকা খাবারের দোকানগুলিতে অভিযান চালানো হয়। দোকানে বিক্রির জন্য রাখা খাবারের গুণমান খতিয়ে দেখেন দপ্তরের আধিকারিকরা। অভিযানে পচা ও বাসি খাবার চিহ্নিত হওয়ার পর সেগুলি ফেলে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। পাশাপাশি দোকান মালিকদের সতর্ক করা হয়। ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম ধরা পড়লে কড়া আইনি পদক্ষেপ করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের এই অভিযান ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, পুজোর মণ্ডপের সামনে খাবারের দোকানগুলিতে নিয়মিত নজরদারি থাকে কি না। অভিযান চালিয়ে পচা খাবার ফেলে দেওয়া হয়েছে। তবে আগামী দিনগুলিতেও ধারাবাহিকভাবে নজরদারি চালানো কতটা সম্ভব হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
