
দুই বছরেও মেলেনি জমির হারি, খুটাখালী ঘেরে কোটি টাকা বকেয়ার অভিযোগ
জমি আছে, ঘের চলছে; কিন্তু দুই বছর ধরে মিলছে না জমির হারির টাকা—এমন অভিযোগে ক্ষুব্ধ ডুমুরিয়ার খুটাখালী মৎস্য প্রকল্পের জমির মালিকরা। তাঁদের দাবি, প্রায় ৬৫০ বিঘা জমির বিপরীতে বকেয়া পড়েছে এক কোটি টাকার বেশি। পাওনা আদায়ে এবার ঘেরমালিককে সাত দিনের সময় বেঁধে দিয়েছেন তাঁরা।
রোববার (২৫ অক্টোবর) কুলবাড়িয়া গেটসংলগ্ন একটি মৎস্য আড়তে প্রতিবাদ সভা করে জমির মালিকরা সাত সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করেন। তাঁদের অভিযোগ, চুক্তি অনুযায়ী প্রতিবছর বৈশাখ মাসে হারির টাকা পরিশোধের কথা থাকলেও গত দুই বছর ধরে অনেকেই টাকা পাচ্ছেন না। এতে দুর্গাপূজার কেনাকাটা করতে গিয়েও হিন্দু সম্প্রদায়ের অনেক জমির মালিক আর্থিক সংকটে পড়েন।
জমির মালিকদের দাবি, চুকনগর এলাকার মো. শাকিল আহম্মেদ ওই জমি লিজ নিয়ে মাছ চাষ করছেন। সাত দিনের মধ্যে সমাধান না হলে তাঁর সঙ্গে নতুন করে চুক্তি না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা। পাশাপাশি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করে আবেদন করার প্রস্তুতি চলছে।
সভায় ১৬০ জন জমির মালিকের মধ্যে ৮৪ জন উপস্থিত ছিলেন। সাবেক ব্যাংকার সম সাইফুল কাদিরের সভাপতিত্বে সভায় আটলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান শেখ হেলাল উদ্দিন, চুকনগর বাজার বণিক সমিতি সভাপতি মোঃ সাহিদুল ইসলামসহ ভুক্তভোগী জমির মালিকরা বক্তব্যদেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ঘেরমালিক শাকিল আহম্মেদ বলেন, কিছু টাকা বকেয়া থাকলেও প্রায় এক কোটি টাকা পাওনার দাবি মিথ্যা ও বানোয়াট। দীর্ঘদিন ধরে ঘের পরিচালনা করছেন এবং জমির মালিকদের টাকা পরিশোধ করে আসছেন বলে দাবি করেন তিনি।
