বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্য ক্রমাগত বিস্তৃত হচ্ছে। এই বর্ধিত বাণিজ্যিক লেনদেন সচল রাখতে আন্তর্জাতিক বাজারে ওঠানামা করছে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার।
বাজারে চাহিদামতো বৈদেশিক মুদ্রার জোগান থাকা সত্ত্বেও গত কয়েক দিন ধরে ডলারের দাম বৃদ্ধি ও টাকার মান কমানো হচ্ছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসের শুরুতে ডলারের দাম ছিল ১২২ টাকা ৭০ পয়সা। তবে মান কিছুটা কমে বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২৩ টাকা ৩৯ পয়সায়।
বাংলাদেশ ব্যাংক এবং দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী আজ (১৫ অক্টোবর ২০২৬) সর্বনিম্ন মুদ্রা বিনিময় হারের একটি সার্বিক চিত্র তুলে ধরা হলো:
-
ইউএস ডলার: ১২৩ টাকা ৩৯ পয়সা
-
ইউরো: ১৩৭ টাকা ৬৫ পয়সা
-
পাউন্ড: ১৬২ টাকা ৭৬ পয়সা
-
কানাডিয়ান ডলার: ৮৬ টাকা ১৯৬৫ পয়সা
-
অস্ট্রেলিয়ান ডলার: ৮৫ টাকা ৯৯ পয়সা
-
চায়নিজ ইয়েন: ১৮ টাকা ৪২ পয়সা
-
সিঙ্গাপুরি ডলার: ৯৫ টাকা ৯৭ পয়সা
-
ভারতীয় রুপি: ১ টাকা ২৯ পয়সা
-
মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত: ৩০ টাকা ২২ পয়সা
-
সৌদি রিয়াল: ৩৩ টাকা ৫৫ পয়সা
-
কাতারি রিয়াল: ৩৩ টাকা ৮৭ পয়সা
-
কুয়েতি দিনার: ৩৯৫ টাকা ৬৪ পয়সা
-
আরব আমিরাতের দিরহাম: ৩৩ টাকা ৫৯ পয়সা
(উল্লেখ্য, বাজার ব্যবস্থার কারণে মুদ্রার বিনিময় হার যেকোনো সময় পরিবর্তন হতে পারে।)
অর্থনৈতিক ও আর্থিক খাতের বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর মনিটরিং এবং প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স প্রবাহ ইতিবাচক থাকায় খোলাবাজার ও অফিশিয়াল রেটের মধ্যকার বড় ব্যবধান অনেকটাই কমে এসেছে। সামগ্রিক আমদানি খাত এবং সাধারণ ব্যবসায়ীদের লেনদেনের জন্য এই স্থিরতা কিছুটা স্বস্তিদায়ক পরিবেশ তৈরি করেছে।
