আজকাল ওয়েবডেস্ক: সম্প্রতি এইচডিএফসি ব্যাঙ্ক ঘিরে চাঞ্চল্য। ভেতরের এক তদন্তে উঠে এসছে ব্যাঙ্কের দুই শীর্ষ কর্মকর্তা নাকি বাইরের লোকজনকে ব্যাঙ্কের গোপন ব্যবসায়িক পরিকল্পনা এবং শেয়ার বাজারের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে এমন জরুরি তথ্য পাচার করেছেন। গোটা ঘটনা খতিয়ে দেখতে ব্যাঙ্কে অভ্যন্তরীণ তদন্ত চলছে।
ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ ঘটনার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি জানিয়েছে, নীতি মেনে তদন্ত চালানো হচ্ছে। রিপোর্ট সামনে আসলেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে এই ঘটনায় জড়িত কর্মকর্তাদের নাম এখনও প্রকাশ করা হয়নি।
আগামী ২৭ অক্টোবর ব্যাঙ্কের নতুন চিফ এক্সিকিউটিভ (সিইও) হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার কথা অনুপ বাগচীর। কিন্তু দায়িত্ব নেওয়ার আগেই ব্যাঙ্কের এই কেলেঙ্কারি তাঁর সামনে নতুন বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করল। এমনিতেই গত কিছুদিন ধরে এর অন্দরের নানা টানাপোড়েন প্রকাশ্যে এসেছে।
কয়েক মাস আগে 'নীতিগত অমিলের' কথা জানিয়ে আচমকা ইস্তফা দিয়েছিলেন তৎকালীন চেয়ারম্যান অতনু চক্রবর্তী। পাশাপাশি বিদায়ী সিইও শশীধর জগদীশন আর পদে থাকতে চাননি এবং ব্যাঙ্কের অন্যতম পুরনো শীর্ষ কর্মকর্তা কাইজাদ ভরুচাও বছরের শেষে পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।
তিন দশক ধরে নিয়ম, শৃঙ্খলা ও ধারাবাহিক লাভের জন্য বাজারে এইচডিএফসি ব্যাঙ্কের আলাদা সুনাম রয়েছে। কিন্তু বোর্ডের অন্দরে টানাপোড়েন এবং সদ্য ঘটা তথ্য ফাঁসের এই ঘটনায় সেই সুনামে যে বড় ধাক্কা লেগেছে, তা বলাই বাহুল্য। চলতি বছরেই ব্যাঙ্কের শেয়ারের দাম প্রায় ২৮ শতাংশ পড়ে গিয়েছে।
