সৌদি আরবে হামলার জেরে রিয়াদ-দাম্মাম রুটে ফের ফ্লাইট স্থগিত
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৮ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->আরও পড়ুন
আমিন জুটমিল চালুর বিষয়ে আশার কথা শোনালেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৪ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->আমিন জুট মিল চালুর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে নগরীর ষোলশহর শিল্প এলাকায় অবস্থিত আমিন জুট মিল পরিদর্শনকালে তিনি আরও বলেন, এই মিলকে কীভাবে পুনরায় উৎপাদনমুখী প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা যায়, কীভাবে এই মিলের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা যায় এবং দেশের অর্থনীতিতে এর অবদান নিশ্চিত করা যায়, তা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। দেশের শিল্পকারখানা গুলোকে শুধু অবকাঠামোগত স্থাপনা হিসেবে বিবেচনা করলে চলবে না; এগুলোকে উৎপাদন, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির কার্যকর কেন্দ্রে পরিণত করতে হবে। এ জন্য বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা, উৎপাদন সক্ষমতা এবং বাস্তবসম্মত পরিকল্পনার ভিত্তিতে শিল্প কারখানাগুলো চালুর সম্ভাবনা পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই মিলকে উৎপাদনমুখী করার সম্ভাবনা যাচাই করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। মিলটির বিদ্যমান অবস্থা, উৎপাদন সক্ষমতা এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির সম্ভাবনা পর্যালোচনার মাধ্যমে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা গ্রহণ করা প্রয়োজন, যাতে প্রতিষ্ঠানটি ভবিষ্যতে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে কার্যকর অবদান রাখতে পারে।
প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে শিল্প খাতের উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাচ্ছে। বন্ধ শিল্পকারখানাগুলো পুনরায় চালুর সম্ভাবনা কাজে লাগানো গেলে দেশের বেকার জনগোষ্ঠীর জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং শিল্প খাতে নতুন গতির সঞ্চার হবে।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, দেশের শিল্প খাতের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্পকারখানাগুলো পুনরায় চালুর বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব কারখানা কার্যকরভাবে চালু করা সম্ভব হলে একদিকে যেমন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, অন্যদিকে শিল্প উৎপাদন বৃদ্ধি এবং জাতীয় অর্থনীতিকে আরো শক্তিশালী করার পথ সুগম হবে।
তিনি আরো উল্লেখ করন, পাট বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী অর্থকরী ফসল। পাট ও পাটজাত পণ্যের দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে সম্ভাবনা রয়েছে। এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে পাটশিল্পকে আরো গতিশীল করা গেলে কৃষক, শ্রমিক, ব্যবসায়ীসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপকৃত হবেন। পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং দেশের রপ্তানি আয় বৃদ্ধিতেও এই খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
প্রতিমন্ত্রী আশা করেন, যথাযথ পরিকল্পনা ও উদ্যোগের মাধ্যমে আমিন জুট মিলসসহ দেশের বন্ধ শিল্পকারখানাগুলোর সম্ভাবনা কাজে লাগানো সম্ভব হবে। এর ফলে শিল্পায়ন ত্বরান্বিত হওয়ার পাশাপাশি কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, স্থানীয় অর্থনীতির বিকাশ এবং জাতীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক অবদান রাখার সুযোগ তৈরি হবে। দেশের শিল্প খাতকে গতিশীল করা, বন্ধ কলকারখানার সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়ন এগিয়ে নেওয়াই সরকারের এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
এসময় বাংলাদেশ পাটকল কর্পোরেশন (বিজেএমসি) এর চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কবির উদ্দিন সিকদার ও বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস কর্পোরেশন (বিটিএমসি) এর চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম জাহিদ হাসান সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এসএন/
আরও পড়ুন
শেখ হাসিনার ফেরার রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এখনো তৈরি হয়নি: তথ্যমন্ত্রী
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২১ পিএম
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ। ছবি: সংগৃহীত
-->আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাংলাদেশে ফিরে আসার বিষয়ে মন্তব্য করেছেন ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ও তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ। তিনি বলেছেন, শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ফিরবেন কি না, তা সময়ই বলে দেবে। তবে তার মতে, শেখ হাসিনার ফিরে আসার মতো রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এখনো বাংলাদেশে তৈরি হয়নি।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ভোলা সদর আসনের বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন শেষে ব্যাংকের হাট বাজারে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন পার্থ।
শেখ হাসিনার দেশে ফেরার প্রসঙ্গে আন্দালিভ রহমান পার্থ বলেন, শেখ হাসিনা আসবেন কি আসবেন না, তা সময় বলে দেবে। আমার মতে, এখনো বাংলাদেশে সেই রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট সৃষ্টি হয়নি। তিনি পুনরায় বাংলাদেশে প্রবেশের কথা বলছেন, তবে আমার মনে হয়, ২০২৪ সালের সেই ট্রমা ও অত্যাচার থেকে বাংলাদেশ এখনো পুরোপুরি বের হতে পারেনি। সে ক্ষেত্রে আমার মনে হয় না, বিষয়টি এখন বাস্তবসম্মত।
আওয়ামী লীগের রাজনৈতিকভাবে ফিরে আসার প্রসঙ্গে পার্থ বলেন, দলটিকে বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি ও জনগণের মনোভাব বিবেচনায় নিয়ে নতুন করে চিন্তাভাবনা করতে হবে। বিশেষ করে জুলাইয়ের ঘটনাকে অস্বীকার করে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফেরার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, জুলাইকে স্বীকার করতে হবে, এ বিষয়ে ক্ষমা চাইতে হবে এবং সংশ্লিষ্টদের বিচারের বিষয়টিও সামনে আসতে হবে। এরপর আওয়ামী লীগকে রাজনীতিতে জনগণ কতটা সুযোগ দেবে, তা সময়ই বলে দেবে।
আওয়ামী লীগের রাজনৈতি প্রসঙ্গে পার্থ আরও বলেন, গত ১৭ বছরে দলটির তৈরি করা রাজনৈতিক বয়ান এবং ২০২৪ সালের ঘটনাপ্রবাহ তরুণ প্রজন্ম প্রত্যক্ষ করেছে। ১৫ থেকে ৩৫ বছর বয়সী অনেকেই রাজপথে কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসব ঘটনার সঙ্গে যুক্ত ছিল। ফলে শুধু নতুন বয়ান তৈরি করে আওয়ামী লীগের পক্ষে রাজনৈতিকভাবে ফিরে আসা কঠিন হবে বলে তিনি মনে করেন।
ইমতিয়াজুর রহমান/এসএন
আরও পড়ুন
সাইবার হামলার আশঙ্কায় বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধ
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৭ পিএম
আপডেট: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১২ পিএম
ফাইল ছবি।
-->সাইবার হামলার আশঙ্কার প্রতিরোধ হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাই বন্ধ করে রাখা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকে এই ওয়েবসাই বন্ধ রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান খবরের কাগজকে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী সাইবার হামলার আশঙ্কায় বিভিন্ন ধরণের প্রতিষ্ঠান তাদের ওয়েবসাইট বন্ধ রেখেছে। সেই সতর্কতা থেকে আমরা আমাদের ওয়েবসাইট কিছু সময়ের জন্য বন্ধ রেখেছি। আমাদের আইটি বিভাগের লোকজন এই বিষয়ে কাজ করছেন। কিছু টেকলিক্যাল কাজ শেষ করে খুব কম সময়ে আবার সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট বলে জানান এই কর্মকতা।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্র জানায়, ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা দুর্বলতা শনাক্ত ও সমাধানে কাজ করছেন সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিবিদরা। একই কারণে পিএইচপিভিত্তিক কয়েকটি ব্যাংকের ওয়েবসাইটও সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এএফপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, পিএইচপির ত্রুটি কাজে লাগিয়ে হামলাকারীরা পাসওয়ার্ড ছাড়াই দূর থেকে সার্ভারে অননুমোদিত নির্দেশনা কার্যকর করতে পারে।
এতে সার্ভারের ফাইল, ডেটাবেজ ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ঝুঁকিতে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস ও বেলজিয়ামের বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান ও ডিজিটাল সেবাও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে।তবে পিএইচপি ব্যবহার করা সব ওয়েবসাইটই ঝুঁকিতে রয়েছে, এমন নয়। ব্যবহৃত সংস্করণ, নিরাপত্তা হালনাগাদ ও সার্ভারের সুরক্ষাব্যবস্থার ওপর ঝুঁকির মাত্রা নির্ভর করে।
এএফ/
আরও পড়ুন
ষড়যন্ত্র করে মানুষের হৃদয় জয় করা যায় না: প্রতিমন্ত্রী টুকু
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৬ পিএম
আপডেট: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৭ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->ষড়যন্ত্র করে কখনো মানুষের হৃদয় জয় করা যায় না বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও টাঙ্গাইল সদর আসনের সংসদ সদস্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
তিনি বলেন, পলাতক স্বৈরাচারী চক্র দেশে ফেরার পাঁয়তারা করলেও বাংলাদেশের জনগণই তাদের প্রতিহত করবে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে জেলা বিএনপির উদ্যোগে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও কেন্দ্রীয় বিএনপির স্বনির্ভরবিষয়ক সম্পাদক, বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম হামিদুল হক মোহনের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশের মানুষ আমাদের দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছেন। যারা জনগণকে হত্যা করেছে, গুলি করেছে এবং পালিয়ে গেছে, তারা আবার বলছে দ্বিগুণ ভয়ংকর হয়ে বাংলাদেশে আসবে। বাংলাদেশের জনগণই তাদের প্রতিরোধ করবে, প্রতিহত করবে। তাদের যে বিচার হয়েছে, জনগণ সেই বিচার কার্যকর করবে, ফাঁসির রায় কার্যকর করবে, ইনশাআল্লাহ।”
তিনি বলেন, দেশের মানুষ বিএনপির ওপর আস্থা ও বিশ্বাস রেখেছে। দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বেই দেশের গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা সম্পূর্ণ নিরাপদ। স্বাধীনতাবিরোধী, একাত্তরের রাজাকার কিংবা নব্য ফ্যাসিবাদী শক্তি- কারও কাছেই দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব নিরাপদ নয়।
তিনি আরও বলেন, গণহত্যা চালিয়ে পালিয়ে যাওয়া স্বৈরাচারী চক্র কিংবা একাত্তরের ঘাতকদের কারও মধ্যেই ন্যূনতম অনুশোচনা নেই। একটি দল স্বাধীনতার বিরুদ্ধে কাজ করেছে, তাদের রাজাকার বলা হয়। আরেকটি দল নব্য ফ্যাসিবাদ হিসেবে বিদায় নিয়েছে। তারা অসংখ্য মানুষকে হত্যা করেছে, কিন্তু তাদের কোনো অনুশোচনা নেই। একইভাবে একাত্তরে যারা রাজাকার ছিল, তাদেরও কোনো অনুশোচনা নেই। তারা দেশে ষড়যন্ত্র করলেও সফল হতে পারবে না। কারণ, ষড়যন্ত্র করে কখনো মানুষের হৃদয় জয় করা যায় না।
জাতীয় ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশপ্রেমকে বুকে ধারণ করে সবাইকে পথ চলতে হবে। বাংলাদেশকে বুকে ধারণ করে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে এগিয়ে যেতে হবে। দেশের মানুষ আমাদের সঙ্গে রয়েছে। আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ ও সজাগ থাকি, তাহলে জাতীয়তাবাদী শক্তিকে পরাজিত করার মতো কোনো শক্তি নেই।
তিনি আরও বলেন, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে দেশকে আত্মনির্ভরশীল করেছিলেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তাদের ধারাবাহিকতায় জনগণের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে বিএনপি দেশকে একটি উন্নত ও স্বনির্ভর রাষ্ট্র হিসেবে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের জনগণের চাহিদা ও গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে বিএনপির নেতৃত্বেই দেশ এগিয়ে যাবে, ইনশাআল্লাহ।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন। সঞ্চালনা করেন জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হক সানু।
এ সময় আরও বক্তব্য দেন, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ পাহেলী, সফিকুর রহমান সফিক, টাঙ্গাইল সদর থানা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী এবং জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি আতাউর রহমান জিন্নাহসহ অন্য নেতারা।
আলোচনা সভা শেষে বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম হামিদুল হক মোহনের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এ সময় জেলা বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
জুয়েল/নাঈম
