Published on
:
1 min read
সুমন ঘোষ, খড়গপুর
রেলশহরে বুকে গুলি লেগে এক ছাত্রের জখম হওয়ার ঘটনার তদন্তে প্রাথমিক ভাবে উঠে এসেছিল 'গ্যাং ওয়ার' তথ্য। শহরের অতীত ইতিহাসের কারণে যা স্বাভাবিক মনে হয়েছিল অনেকেরই। মনে পড়ে গিয়েছিল একদা রেলের ঠিকাদারি, স্ক্র্যাপের ব্যবসা ঘিরে এখানে মাফিয়াদের দাপাদাপি। তদন্ত এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে যদিও পুলিশ জানিয়েছে, ওই ঘটনা গ্যাং ওয়ার ছিল না।
এক সময়ে মাফিয়ারাজের সঙ্গে যুক্ত এবং গ্যাং ওয়ারে খুন হওয়া ভেঙ্কটপ্রসাদ রাওয়ের বাড়িতেই ছিল ওই বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র। প্রসাদের ছেলে সাগরের সঙ্গে সম্পর্কের জেরে কৌতূহল বশে সেই আগ্নেয়াস্ত্র নাড়াচাড়া করতে গিয়েই গুলি লাগে নবম শ্রেণির ছাত্র অক্ষয় ঝা-র। আর এই ঘটনা পুরনো সেই আতঙ্কের স্মৃতি উসকে দিয়েছে খড়গপুরবাসীর মনে। দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে খড়গপুরে দাপিয়ে বেরিয়েছে মাফিয়ারা। প্রকাশ্য রাস্তায় অস্ত্র নিয়ে বাইকবাহিনীর দাপাদাপি, গুলি-পাল্টা গুলির লড়াই। তাতে কখনও মৃত্যু হয়েছে মাফিয়ার তো কখনও কোনও ব্যবসায়ীর। মাফিয়া গোষ্ঠীর এই লড়াইয়ে আতঙ্কের রাত কেটেছে সাধারণ মানুষ থেকে ব্যবসায়ীদের।
ঠাকুর দালানের এক পাশে ঘট স্থাপন করে পুজোর পাশাপাশি প্রতিদিন চলে চণ্ডীপাঠ। রাজবাড়ির নাটমন্দিরে বসে কীর্তনের আসর। রাজপরিবারের বর্তমান সদস্যরা জানালেন, এক ঝড় জলের রাতে দেবী ষোড়শী রূপে রাজবাড়িতে আসার জন্য স্থানীয় মশাগাঁ খালের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন।
সেদিন মাঝি তাড়াতাড়ি বাড়ি চলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। সেই সময়ে কিশোরী রূপে দেবী মাঝিকে অনুরোধ করেন তাঁকে খাল পার করে দিতে। তিনি রাজবাড়িতে যাবেন। নরোত্তম বর নামে এক জেলে ওই কিশোরীকে নৌকো করে খাল পার করে দেন। রাতে দেবী নরোত্তমকে স্বপ্ন দেন পুজোর | সময়ে রাজবাড়িতে চণ্ডীমঙ্গল পাঠ করতে। আজও চণ্ডীমঙ্গল পাঠ হয় পুজোর দিনে।