পুজো মানেই অনিয়ম। বাইরে দেদার খাওয়াদাওয়া। ঘুমের ঘাটতি। এই মণ্ডপ থেকে ওই মণ্ডপে চষে বেড়ানো। তার ফলে সহজেই ক্লান্ত হওয়া স্বাভাবিক। আর তার ছাপ পড়তে পারে শরীরে। এমনকী ত্বকেও। এই সমস্যা থেকে বাঁচতে রূপচর্চা নয়। ‘আইভি ড্রিপ থেরাপি’ (IV Drip Therapy)তে মজেছে জেন জি। সত্যি কি এই পদ্ধতি অনুসরণে লাভ হচ্ছে, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।
জানা গিয়েছে, নবরাত্রির ঠিক আগে থেকে আহমেদাবাদে এই ‘আইভি ড্রিপ থেরাপি’র চাহিদা তুঙ্গে। বহু তরুণ-তরুণী ‘আইভি ড্রিপ থেরাপি’ করানোর ইচ্ছাপ্রকাশ করছেন। ‘আইভি ড্রিপে’ থাকে ভিটামিন সি, বি কমপ্লেক্স, জিঙ্ক এবং গ্লুটাথায়োনের। সরাসরি শিরার মাধ্যমে দেহে ‘আইভি ড্রিপ’ পৌঁছলে তৎক্ষণাৎ শরীরে এনার্জি পাওয়া যায়। তার ফলে ক্লান্তি দূর হয়। ত্বকে আসে ঔজ্জ্বল্য। এক একটি ‘আইভি ড্রিপ সেশনে’র খরচ ৪ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা। একাধিক সেশনের ফেস্টিভ প্যাকেজের খরচ সর্বোচ্চ ১৫ হাজার টাকা।
যাঁরা ইতিমধ্যেই ‘আইভি ড্রিপ থেরাপি’ করিয়েছেন তাঁদের দাবি, দিনভর অফিস এবং বাড়িতে কাজ। তার ফলে ক্লান্তি খুব স্বাভাবিক। আর ইচ্ছাও করে না কোনও অনুষ্ঠানে যোগ দিতে। অথচ পরিবারের লোকজনের চান সকলের সঙ্গে উৎসবে অংশগ্রহণ করুন তাঁরা। এই টানাপোড়েন থেকে বাঁচার দাওয়া ‘আইভি ড্রিপ থেরাপি’। এর ফলে শরীর তরতাজা হবে বলেই আশা তাঁদের।
তবে চিকিৎসকদের মতে, ‘আইভি ড্রিপ থেরাপি’র মাধ্যমে ত্বক এবং তৎক্ষণাৎ এনার্জি পাওয়ার চেষ্টা ঠিক নয়। কারণ, এটি একটি চিকিৎসা পদ্ধতি। ‘আইভি ড্রিপ থেরাপি’র আগে অবশ্যই কোনও ব্য়ক্তির শারীরিক পরীক্ষা নিরীক্ষা করানো উচিত। নইলে হিতে বিপরীত হতে পারে। শরীরে আচমকা তরল জমে যেতে পারে। কিংবা অ্যালার্জির সমস্যাও হতে পারে। এছাড়া লিভারের ক্ষতির আশঙ্কাও থাকতে পারে। তাই ‘আইভি ড্রিপ থেরাপি’র আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
