নেহা বোরার পর এবার প্রশান্ত ভূষণ। ককরোচ জনতা পার্টির উদ্দেশ্য নিয়ে বেফাঁস অভিজিৎ দীপকেদের আইনজীবী। তিনি সাফ বলে দিচ্ছেন, সিজেপির আন্দোলন শুরু হয়েছে সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে। কিন্তু সরকার যদি বিক্ষোভকারীদের এভাবে দমন করার চেষ্টা করে, তাহলে আন্দোলন হবে সরকার ফেলে দেওয়ার দাবিতে। আর তাতে অন্যায়ের কিছু নয়। বিজেপির খোঁচা, “ককরোচদের আসল উদ্দেশ্য যে নির্বাচিত সরকার ফেলে দেওয়া সেটা আমাদের আগেই জানা ছিল।”
বৃহস্পতিবার সাংবাদিক সম্মেলনে প্রশান্ত ভূষণ বলেন, “সরকার বলছে বিরোধীরা নাকি সরকার ফেলতে চাই। এখন আমরা সুষ্ঠু নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার দাবিতে আন্দোলন করছি। কিন্তু এই নিষ্ঠুরতা যদি চলতে থাকে তাহলে অবশ্যই আমরা সরকার বদলের জন্য লড়ব। এবং অবশ্যই সরকার ফেলা হবে। আমরা সবাই সরকার ফেলতে চাই। আর তাতে ভুলটা কী আছে? বিজেপিও এর আগে সরকার ফেলার জন্য বহু আন্দোলন করেছে। এখন তারাই এত কথা বলছে।” প্রশান্ত ভূষণ সাফ বলছন, “আমরা এই স্বৈরাচারী বিজেপি সরকারের পতন চাই।”
প্রশান্ত ভূষণের এই মন্তব্যকে হাতিয়ার করেই ককরোচদের খোঁচা দিল বিজেপি। খোদ প্রতিরপক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং বলছেন, “এই রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে ওরা দেশের যুবসমাজকে বোড়ে হিসাবে ব্যবহার করছে। ওরা অরাজকতা তৈরি করে সরকার বদল করতে চায়। ঠিক যেমন হয়েছে বাংলাদেশে।” রাজনাথ সাফ বলছেন, “কেউ প্রকাশ্যে বাংলাদেশকে অনুসরণ করার কথা বলছেন। কেউ সরকার বদলের কথা প্রকাশ্যে স্বীকার করছেন। ওদের উদ্দেশ্য পরিষ্কার।”
জনবিক্ষোভ, জেন জি-কে ক্ষেপিয়ে তুলে সরকারের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামানো, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করে ইস্তফা দিতে বাধ্য করা। ককরোচ জনতা জনতা পার্টি এবং জেন জি’র বিক্ষোভকে শুরু থেকেই সরকার ফেলার বিদেশি ষড়যন্ত্রের অংশ হিসাবে বর্ণনা করে আসছেন বিজেপি সমর্থকরা। তাঁদের দাবি, বাংলাদেশ এবং নেপালে যে মডেলে নির্বাচিত সরকার ফেলা হয়েছে, সেই একই মডেল ভারতেও প্রয়োগ করতে চাইছে ডিপ স্টেট। পর পর দু’দিন ককরোচ জনতা পার্টির সঙ্গে যুক্ত দুই শীর্ষস্থানীয় নেতা ‘রেজিম চেঞ্জে’র সমর্থনে কথা বলায় নয়া অস্ত্র পেয়ে গেল শাসক শিবির।
