পাকশী হার্ডিঞ্জ ব্রিজের পাশে একটি রেলসেতু নির্মাণের পরিকল্পনা
ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি
- আপডেট সময় : ০৪:৫৮:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
পাকশীর হার্ডিঞ্জ ব্রিজের পাশে সরকারের আর ও একটি রেলসেতু নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে বলছেন, রেল সচিব। পাবনা থেকে সরাসরি ঢাকায় চালু হতে যাওয়া আন্তঃনগর ট্রেনটি ঈশ্বরদী জংশন স্টেশনে যাত্রাবিরতি করবে। আগামী নভেম্বরের শেষার্ধে ট্রেনটি চালুর আশা করছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। গত বৃহস্পতিবার রাতে পাকশীর হার্ডিঞ্জ ব্রিজ এলাকা পরিদর্শনকালে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহিমুল ইসলাম এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, পাবনা-ঢাকা সরাসরি ট্রেন পাবনার মানুষের একটি আবেগের জায়গা, বর্তমানে ভারত থেকে ১৮টি কোচ বাংলাদেশে এসেছে। আমরা সেগুলো রিসিভ করেছি। বর্তমানে সেগুলো সৈয়দপুর ক্যারেজ ওয়ার্কশপে রয়েছে। আমাদের কিছু অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হচ্ছে। প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শেষে ভারত থেকেও কিছু প্রকৌশলী আসবেন। এসব প্রক্রিয়া শেষ করার পর আমরা আশা করছি, আগামী নভেম্বরের শেষার্ধে ট্রেনটি চালু করতে পারব। ঢাকা- পাবনা – ঢাকা রুটে এটি চালু করা হবে। এতে ১২টি কোচ থাকবে। তিনি আর ও বলেন, ঢাকা-পাবনা ট্রেনটি ঈশ্বরদী স্টেশনে প্রাথমিক ভাবে থামানোর পরিকল্পনা হয়েছে। মাঝগ্রাম থেকে ইঞ্জিন ঘুরিয়ে ট্রেনটি ঢাকায় নিয়ে গেলে কিছু পরিচালনাগত ঝুঁকি রয়েছে। ঈশ্বরদীতে সব ধরনের পরিচালনাগত সুযোগ-সুবিধা থাকায় এখান থেকে ইঞ্জিন পরিবর্তন করে ট্রেন পরিচালনা করা সুবিধা জনক হবে। এতে হয়তো কিছুটা সময় বেশি লাগবে, তবে নিরাপত্তা ও পরিচালনা গত স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য ঈশ্বরদী হয়ে ট্রেনটি পরিচালনা করতে হবে। পাকশীর হার্ডিঞ্জ ব্রিজের পাশে আরেকটি সেতু নির্মাণের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ১৯১৫ সালে হার্ডিঞ্জ ব্রিজ নির্মাণ করা হয়। সেতুটির অর্থনৈতিক আয়ুষ্কাল পার হলেও বাংলাদেশ রেলওয়ে ভালো ভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করায় এটি এখনো সচল রয়েছে। আপনারা জানেন, বাংলাদেশ সরকারের বর্তমানে রেলওয়ে নিয়ে অনেক পরিকল্পনা রয়েছে। পঞ্চগড় থেকে রাজশাহী হয়ে কক্সবাজার যাওয়ার একটি পরিকল্পনা রয়েছে। সব জায়গায় ট্রেন চালুর পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হলে বর্তমান হার্ডিঞ্জব্রিজ যথেষ্ট হবে না। এ ক্ষেত্রে আমাদের আরও একটি সেতু নির্মাণ করতে হবে। ইতিমধ্যে সেতুটি নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় স্থান নির্ধারণ ও নকশা চূড়ান্ত করা হয়েছে। অর্থায়ন নিশ্চিত হলে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। পরিদর্শনকালে পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) আবু হেনা মোস্তফা আলম, বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া, বিভাগীয় প্রকৌশলী-২ নাজিব কায়সার এবং বিভাগীয় রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর কমান্ড্যান্ট রেজওয়ান উর রহমানসহ রেলওয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।
