সংবাদ · সাধারণ
শ্রীমঙ্গলে ১৬তম বছরের মতো ব্যতিক্রমী নবদুর্গা পূজা শুরু
১২/১০/২০২৬

চা-বাগানের সবুজ, পাহাড়ের সারি আর পর্যটন কেন্দ্রঘেরা শ্রীমঙ্গলে শারদীয় দুর্গোৎসবের আগেই ছড়িয়ে পড়েছে উৎসবের আমেজ। উপজেলার ইছামতি চা-বাগানের মঙ্গলচণ্ডী মন্দিরে মহালয়ার পরদিন থেকে শুরু হয়েছে ব্যতিক্রমী নবদুর্গা পূজা। ৯ দিনে দেবী দুর্গার ৯টি রূপের আরাধনার এই পৌরাণিক আয়োজন দেখতে ইতিমধ্যে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দর্শনার্থীরা ভিড় জমাচ্ছেন।রোববার (১১ অক্টোবর) সকালে মঙ্গলচণ্ডী মন্দিরে দেবীর প্রথম রূপ শৈলপুত্রীর পূজার মধ্য দিয়ে শুরু হয় এবারের ১৬তম আয়োজন। মহালয়ার পরদিন শুরু হওয়া এই পূজায় নবমী তিথি পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে আরাধনা করা হবে দেবী ব্রহ্মচারিণী, চন্দ্রঘণ্টা, কুষ্মাণ্ডা, স্কন্দমাতা, কাত্যায়নী, কালরাত্রি, মহাগৌরী ও সিদ্ধিদাত্রীর। প্রতিদিন পূজা হয় দেবীর একেকটি রূপের।আয়োজকদের দাবি, ২০১০ সাল থেকে শুরু হওয়া এই আয়োজন বাংলাদেশে প্রচলিত শারদীয় দুর্গাপূজার আগে নবদুর্গা আরাধনার একমাত্র ও স্বতন্ত্র একটি উৎসব। শ্রীমঙ্গলসহ দেশের নানা জেলা থেকে আসা সনাতন ধর্মাবলম্বীরা দেবীর পৃথক মাহাত্ম্য প্রত্যক্ষ করার পাশাপাশি দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনায় অংশ নিচ্ছেন।শ্রীমঙ্গলের এই ঐতিহ্যবাহী পূজার পাশাপাশি পুরো উপজেলাজুড়ে চলছে শারদীয় দুর্গোৎসবের জোরালো প্রস্তুতি। এবার শ্রীমঙ্গলের শহর ও বিভিন্ন চা-বাগান মিলিয়ে মোট ১৭৩টি মণ্ডপে অনুষ্ঠিত হবে দুর্গাপূজা। শহরের মৌলভীবাজার সড়কের সর্বজনীন দুর্গাবাড়ি, শ্রীশ্রী মঙ্গেশ্বরী কালীবাড়ি, রামকৃষ্ণ মিশনসহ বিভিন্ন মণ্ডপগুলোতে চলছে শেষ মুহূর্তের সাজসজ্জা।উৎসব নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণ করতে ইতিমধ্যে উপজেলা প্রশাসন এবং শ্রীমঙ্গল থানা-পুলিশের উদ্যোগে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রতিটি মণ্ডপে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, পর্যাপ্ত স্বেচ্ছাসেবক মোতায়েন, যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং বিজয়া দশমীতে নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মূল প্রতিবেদনে যান ↗