দশমীর রাতে এক বিজেপি কর্মীকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ উঠল মালদহে। শুধু তাই নয়, মৃত্যু নিশ্চিত করতে দুষ্কৃতীরা দুই রাউন্ড গুলি চালায় বলেও অভিযোগ। মৃত ওই বিজেপি কর্মীর নাম সমীর ঘোষ। ঘটনার খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছান জেলা পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। কেন এই খুন তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার পিছনে কে বা কারা রয়েছে তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যে একজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। যদিও এই ঘটনায় কালীঘাট তৃণমূলের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তুলেছে পরিবার। তাঁদের দাবি, বিজেপি করার অপরাধেই সমীরকে নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে। যদিও তা অস্বীকার করেছে তৃণমূল। তবে ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়।
ঘটনার জেরে গোটা এলাকা থমথমে। এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বাড়তি পুলিশ কর্মীকে।
বুধবার সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটেছে মালদহের ইংরেজবাজার থানার রামকেলি এলাকায়। অভিযোগ, এলাকার মানুষজন যখন প্রতিমা বিসর্জনে ব্যস্ত সেই সময় সমীরের বাড়িতে বেশ কয়েকজন ঢুকে পড়ে। কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগেই তাঁর উপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। এমনকী সমীরকে লক্ষ্য করে দুষ্কৃতীরা গুলি চালায় বলে অভিযোগ। মৃতের ভাইয়ের অভিযোগ, বিজেপি করার অপরাধে দীর্ঘদিন ধরেই দাদাকে নানাভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। ভয়ে বাড়ি থেকে বেরতেন না। দশমীর দিন এলাকা শুনশান থাকায় এই ঘটনা ঘটে। ভাইয়ের দাবি, ঘটনার সময় বাড়িতে একাই ছিলেন সমীর। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বাড়িতে ঢুকে দুষ্কৃতীরা এই ঘটনা ঘটায়। অভিযুক্তরা সবাই তৃণমূল আশ্রিত বলেও অভিযোগ। ভাইয়ের দাবি, পরিকল্পনা করে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে।
যদিও এই ঘটনা সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে স্থানীয় কালীঘাট তৃণমূলের নেতারা। তাঁদের পালটা দাবি, এর পিছনে বিজেপিই রয়েছে। আর তা তদন্ত করলে সামনে আসবে। যদিও আসল কারণ খুঁজতে বুধবার রাতেই এক ব্যক্তিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। খুনের পিছনে কে বা কারা রয়েছে, তা জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। এদিকে ঘটনার জেরে গোটা এলাকা থমথমে। এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বাড়তি পুলিশ কর্মীকে।
