পঞ্চমী থেকেই ভিড়ে থিকথিক করছে তিলোত্তমা। মেট্রোয় তিল ধারণের জায়গা নেই। ভিড়ের কারণে প্রায় কোনও স্টেশনেই এক ধাক্কায় বন্ধ হচ্ছে না মেট্রোর গেট। ফলে প্রতি স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়াচ্ছে মেট্রো। ষষ্ঠীতেও ছবিটা একেবারে একই। এদিকে স্টেশনে ক্রমশ বাড়ছে ভিড়। একই পরিস্থিতি লোকাল ট্রেনেরও। সব মিলিয়ে ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে নাভিশ্বাস উঠছে। প্রশ্নের মুখে মেট্রো কর্তৃপক্ষের ভূমিকাও।
পুজো মানেই প্যান্ডেল হপিং। ভিড়ের তোয়াক্কা না করেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন সকলে। এখন আবার বেশিরভাগই তৃতীয়া থেকেই বেরিয়ে পড়েন প্যান্ডেল হপিংয়ে। পঞ্চমীর রাতে চাঁদনি চক, এসপ্ল্যানেড-সহ একাধিক মেট্রোয় কার্যত জনপ্লাবন দেখা যায়। বিকেল থেকেই একেবারে ভিড়ে ঠাসা মেট্রো। তারপর একাধিক মেট্রো বাতিল হওয়ায় চরম ভোগান্তির শিকার হন যাত্রীরা। কোনওক্রমে সকলেই মেট্রোয় উঠে পড়ার চেষ্টা করেন। তাতে দেখা যায়, দরজা বন্ধ হচ্ছে না। কোথাও কোথাও যাত্রীদের টেনে নামান পুলিশ কর্মীরা। সব মিলিয়ে নাজেহাল পরিস্থিতি ছিল পঞ্চমীতে।
ষষ্ঠীতে পরিস্থিতি আরও ভয়ংকর। এদিন সকাল থেকেই কলকাতার পুজোগুলো ঘুরে দেখতে বেরিয়ে পড়েছেন সকলে। ফলে বেলা যত গড়িয়েছে তত বেড়েছে ট্রেন, বাস, মেট্রোয় ভিড়। মেট্রোর তরফে বারবার একই গাড়িতে যাত্রীদের উঠতে বারণ করলেও লাভের লাভ হয়নি। সকলেরই গন্তব্যে পৌঁছনোর তাড়া। কারণ, যাত্রাপথে সময় বাঁচলে প্রতিমা দর্শনে বাড়তি সময় মিলবে। শিয়ালদহগামী লোকাল ট্রেনের ছবিটাও কার্যত একই। তবে হ্যাঁ, যাত্রীদের সুবিধায় এবার বাড়তি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। ফলে আগামিকাল অর্থাৎ সপ্তমী থেকে পরিস্থিতি আয়ত্তে আসবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
