মেলায় গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন, বুকলেট ও পোস্টার প্রদর্শনী, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-গবেষক ও শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন।
গবেষণা ও উদ্ভাবন কার্যক্রম জোরদার এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংযোগ বাড়াতে প্রতিবছর ‘গবেষণা-উদ্ভাবন মেলা’ আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি)। এ আয়োজনের মাধ্যমে গবেষণাভিত্তিক পরিবেশ গড়ে তোলা, উদ্ভাবনী উদ্যোগকে উৎসাহিত করা এবং শিল্প-একাডেমিয়া অংশীদারত্বের মাধ্যমে মানসম্মত স্টার্টআপ তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে।
মেলায় গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন, বুকলেট ও পোস্টার প্রদর্শনী, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-গবেষক ও শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন।
মেলা আয়োজনের প্রস্তুতি হিসেবে গতকাল মঙ্গলবার উপাচার্যের সভাকক্ষে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম। সভায় বিভিন্ন অনুষদের ডিন ও ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেলের পরিচালক উপস্থিত ছিলেন।
সভায় উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম বলেন, সমাজের চাহিদা ও সময়ের প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবন কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাকে শুধু একাডেমিক পরিসরে সীমাবদ্ধ না রেখে এর ফলাফল যেন শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের বাস্তব সমস্যার সমাধানে কাজে লাগে, সে বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে। যুগোপযোগী ও মানসম্মত গবেষণার মাধ্যমে নতুন জ্ঞান সৃষ্টি, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন এবং সম্ভাবনাময় স্টার্টআপ গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি করতে হবে। এর মধ্য দিয়ে দেশ ও জাতির টেকসই আর্থসামাজিক উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, গবেষণা ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর অংশীদারত্ব গড়ে তোলা জরুরি। এ ধরনের উদ্যোগ গবেষকদের নতুন সম্ভাবনা অন্বেষণ, উদ্ভাবনী ধারণার বাস্তব প্রয়োগ এবং গবেষণালব্ধ জ্ঞান সমাজে ছড়িয়ে দেয়ার সুযোগ তৈরি করবে। এ লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীদের সামাজিক চাহিদা নিরূপণ, নতুন জ্ঞান সৃষ্টি ও বিতরণ এবং পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
এ ছাড়া সামাজিক চাহিদা নিরূপণ, নতুন জ্ঞান সৃষ্টি ও বিতরণের ক্ষেত্রে শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীদের সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
