Published on
:
2 min read
প্রবল ইচ্ছাশক্তি ও মনের জোর থাকলে অসম্ভবকেও হয়তো সম্ভব করা যায়। তেমনই কাজ করে ফেলেছেন মধ্যমগ্রামের বাসিন্দা অমিত পাল। বর্তমানে তাঁর বয়স ৫০ ছুঁই ছুঁই। তবুও নতুন চ্যালেঞ্জে নিয়েছেন তিনি। পাহাড়ের চড়াই-উতরাই, সঙ্গে প্রচণ্ড ঠান্ডার মধ্যে ৪২ কিলোমিটার দৌড় প্রতিযোগিতায় তিনি বিজয়ী হয়েছেন। শনিবার উত্তরাখণ্ডের সরকারের পক্ষ থেকে আয়োজন করা হয়েছিল আদি কৈলাস পরিক্রমার। এ রাজ্য থেকে একমাত্র প্রতিযোগী হিসেবে অংশ নিয়েছিলেন অমিত।
এই প্রতিযোগিতায় অল্টিটিউড ম্যারাথনে ৪২ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করার জন্য সময় দেওয়া হয়েছিল ৮ ঘণ্টা। সেখানে অমিত সময় নিয়েছেন মাত্র ৫ ঘণ্টা ৫৮ মিনিট। পাশাপাশি প্রতিযোগিতায় ৪২ কিলোমিটার, ৭০ কিলোমিটারের আলট্রা ম্যারাথন এবং ৫, ১০ ও ২১ কিলোমিটারের বিভাগ রাখা হয়েছিল। এর মধ্যে অমিত বেছে নিয়েছিলেন ৪২ কিলোমিটারের পূর্ণ ম্যারাথন। প্রতিযোগিতা শেষে ফিনিশার মেডেল দিয়ে পুরস্কৃত করা হয় তাঁকে।
অমিত পালএই সময়
অমিতের ম্যারাথন দৌড় শুরু হয় কোভিড পরবর্তী সময়ে। প্রথমে ১০ কিলোমিটার দৌড় দিয়ে শুরু করেন। পরের ধাপে ২১ কিলোমিটারের হাফ ম্যারাথন। মুম্বইয়ে প্রথম পূর্ণ ম্যারাথনে ৪২ কিলোমিটার দৌড়েছিলেন অমিত। উত্তরাখণ্ডের জয় প্রসঙ্গে তিনি জানান, প্রথমে ভাবতেই পারেননি এতটা পথ অতিক্রম করতে পারবেন। মাইনাস ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে দৌড় শুরু হয়েছিল। তীব্র ঠান্ডার মধ্যেও শেষ পর্যন্ত নিজের লক্ষ্যে পৌঁছতে পেরে ভীষণ আনন্দিত হয়েছেন অমিত। পাহাড়ি রাস্তার চড়াই-উতরাই তাঁর জয়ের সামনে বাধা হতে পারেনি। আগামিকাল কলকাতায় ফিরবেন তিনি। এর পরে লাদাখের হাই অল্টিটিউড ম্যারাথনেও অংশ নেওয়ার ইচ্ছাও রয়েছে বলেই জানান অমিত।
