দেশের বিভিন্ন স্থানে সোলারের ব্যবহার বাড়িয়ে ২০২৭ সালের মধ্যে গ্রিড বিদ্যুতের চাহিদা ২০ শতাংশ পর্যন্ত কমানো সম্ভব। তবে এ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে কার্যকর নীতিমালা ও বিনিয়োগের নিশ্চয়তা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সোলার প্যানেল স্থাপনের মাধ্যমে একদিকে যেমন দীর্ঘমেয়াদে বিদ্যুতে স্বনির্ভরতা অর্জন করা যায়, তেমনি লোডশেডিংয়ের ভোগান্তি এড়ানোও সম্ভব। তাইতো সোলারের ব্যবহার বাড়াতে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।
বৃহস্পতিবার রাজধানীতে কনজুমারস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-ক্যাব আয়োজিত এক সেমিনার বলা হয়, দেশের বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজসহ বিভিন্ন স্থাপনায় সোলার প্যানেল বসিয়ে ২০২৭ সালের মধ্যে গ্রিড বিদ্যুতের চাহিদা ২০ শতাংশ কমানো সম্ভব।
এ খাতের প্রসারে সৌর প্যানেলের নিরাপত্তা ও রক্ষণাবেক্ষণে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রয়োজন। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ চুরি নিয়ন্ত্রণ ও গ্রিডের সক্ষমতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব মিরানা মাহরুখ জানান, সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে উৎসাহ দিতে সোলার আমদানি ও শুল্কসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে ছাড়ের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।
সৌরবিদ্যুতের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে শুধু আমদানি শুল্কে ছাড় যথেষ্ট নয়। একই সঙ্গে দেশি বিনিয়োগকারীদের উৎপাদিত বিদ্যুতের সঠিক মূল্য নির্ধারণ ও প্রয়োজনীয় প্রণদনায় মত সংশ্লিষ্টদের।
