কালবেলা · দেশ
ধর্মীয়, জাতিগত ও সামাজিক সম্প্রীতিই বাংলাদেশের শক্তি: প্রিন্স
১৮/১০/২০২৬

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেছেন, ধর্মীয়, জাতিগত ও সামাজিক সম্প্রীতি বাংলাদেশের অন্যতম শক্তি। এই শক্তিই দেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। একই সঙ্গে উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শক্তি ও সাহস জোগাচ্ছে।
রোববার (১৮ অক্টোবর) সকালে ভালুকা উপজেলা পরিষদে শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপের প্রতিনিধিদের হাতে ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, ধর্মীয় উৎসব বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও ঐতিহ্যের প্রতীক। ‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার’—এই চেতনাকে ধারণ করেই একটি গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। জেলা পরিষদ জনগণের প্রতিষ্ঠান। দল, ধর্ম ও সম্প্রদায়ের ঊর্ধ্বে উঠে জনকল্যাণে কাজ করাই এ প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য। সেই দায়িত্ববোধ থেকেই শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপনে পূজামণ্ডপগুলোকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
এ সহযোগিতা দুর্গাপূজা উদযাপনে কিছুটা হলেও সহায়ক হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ এবারই প্রথম দুর্গাপূজা উদযাপনে আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে। এ বছর জেলার মোট ২৫৭টি পূজামণ্ডপে এ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
আর্থিক সহায়তা বিতরণ কার্যক্রমের দ্বিতীয় দিনে ভালুকা, গফরগাঁও, দক্ষিণ গফরগাঁও, তারাকান্দা, ফুলপুর, হালুয়াঘাট ও ধোবাউড়া উপজেলার পূজামণ্ডপগুলোর জন্য সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়। এর আগের দিন ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনসহ সদর, ত্রিশাল, মুক্তাগাছা, ফুলবাড়ীয়া, গৌরীপুর, নান্দাইল ও ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার পূজামণ্ডপগুলোতে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।
এ সময় হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতারা দুর্গাপূজা উদযাপনে সরকারের সহযোগিতায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। তাঁরা বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের আমলে এ বছর পূজামণ্ডপগুলোতে সর্বোচ্চ সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক রুহুল আমিন মাসুদ, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক হাতেম আলী, ভালুকা পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আহসান উল্লাহ খান রুবেল, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক গুলজার হোসেন, পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সভাপতি স্বপ্ন বণিক, সাধারণ সম্পাদক রতি রঞ্জন বর্মন এবং হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক রানা সরকারসহ স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
মূল প্রতিবেদনে যান ↗