মহিলাদের শরীর নিয়ে সমাজের প্রত্যাশার শেষ নেই। কখনও ওজন বেড়ে গেলে কটাক্ষ, কখনও আবার রোগা হয়ে গেলেও সমালোচনা। এই অভিজ্ঞতার কথা শোনালেন বলিউড অভিনেত্রী রাধিকা মদন। সম্প্রতি সন্তান জন্মের পরে ওজন বেড়ে যাওয়ায় ক্যাটরিনা কইফকে কটাক্ষের মুখে পড়তে হয়েছে। অভিনেত্রীর পাশে দাঁড়িয়ে এ বার নিজের জীবনের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিলেন রাধিকা। জানালেন, চেহারা নিয়ে মানুষের লাগাতার মন্তব্য কী ভাবে তাঁর স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলেছিল।
এক সাক্ষাৎকারে রাধিকা জানান, বিভিন্ন ছবির চরিত্রের প্রয়োজনে তাঁর ওজনের অনেক পরিবর্তন হয়েছিল। ২০১৮ সালে ‘পটাখা’ ছবির জন্য প্রায় ১৫ কেজি ওজন বাড়িয়েছিলেন তিনি। পরে ‘শিদ্দত’-এর শুটিং চলাকালীন সেই ওজন কমানোর চেষ্টা করেন। রাধিকার কথায়, “‘পটাখা’ ছবির জন্য আমি ১৫ কেজি ওজন বাড়িয়েছিলাম। তার পর ‘শিদ্দত’ এবং ‘আংরেজ়ি মিডিয়াম’-এর শুটিং করতে করতে ওজন কমাচ্ছিলাম। তখন আমাকে বলা হয়েছিল, ‘এ তো খুব মোটা! নায়িকা হবে কী করে?’”
এর পরে একের পর এক ছবির কাজ চলতে থাকায় ওজন কমানোর চেষ্টা করতে থাকেন রাধিকা। ক্রমে এতটাই রোগা হয়ে পড়েন যে, শরীরের উপর প্রভাব পড়তে শুরু করে। শেষ পর্যন্ত কাজ থেকে বিরতি নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন অভিনেত্রী। তাঁর কথায়, “ক্রমাগত ওজন কমাচ্ছিলাম আর একের পর এক ছবির শুটিং করছিলাম। শেষ পর্যন্ত আমার শরীরে হাড় ছাড়া কিছুই ছিল না। স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব পড়তে থাকায় বিরতি নিই।”
রাধিকা জানান, তাঁর চেহারা নিয়ে মানুষের প্রত্যাশা বার বার বদলেছে। ওজন বেশি থাকলে তাঁকে মোটা বলা হত। আবার ওজন কমানোর পরেও রেহাই মেলেনি। তখন বলা হত, তিনি নাকি প্রয়োজনের তুলনায় বেশি রোগা।
একসময় নিজেকেই প্রশ্ন করেন অভিনেত্রী, অন্যকে খুশি করতে গিয়ে কেন নিজের শরীরের উপর এত চাপ দিচ্ছেন? বুঝতে পারেন, চেহারা যতই বদলাক, সমালোচনা করার লোক থাকবেই। তার পর থেকেই নির্দিষ্ট ওজনের পিছনে না ছুটে সুস্থ থাকার দিকে মন দেন তিনি। অভিনেত্রীর কথায়, “আমি নিজেকে প্রশ্ন করেছিলাম, মানুষ কখনও সন্তুষ্ট হবে না এটা জেনেও কেন তাদের খুশি করার চেষ্টা করছি? তার পর সুস্থ থাকার
