দিল্লির কোনো একটি কূটনৈতিক মঞ্চে ভারত ও বাংলাদেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে একটি ঐতিহাসিক করমর্দন অপেক্ষা করছে। যদিও এখন পর্যন্ত এই বৈঠকের নির্দিষ্ট কোনো তারিখ, সম্মত সফরসূচি কিংবা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত কোনো ঘোষণা আসেনি, তবুও উভয় দেশের নীতিনির্ধারণী মহলে আলোচনা বেশ জোরেশোরেই এগোচ্ছে। ইন্ডিয়া এম্পায়ারের এক বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই প্রতিবেদন প্রকাশের সময় ভারত ও বাংলাদেশের কূটনীতিকরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য নয়াদিল্লি সফর বাস্তবায়নের নানা দিক খতিয়ে দেখছেন। সফরটি আয়োজনের ক্ষেত্রে নভেম্বর মাসের কয়েকটি সম্ভাব্য সময় বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে ঢাকা ও নয়াদিল্লি—উভয় পক্ষই সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে এমন একটি উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক সফরের জন্য উপযুক্ত ও অনুকূল রাজনৈতিক পরিবেশ থাকা অত্যন্ত জরুরি। আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণের বার্তাটি উন্মুক্ত থাকলেও সফরটি বাস্তবায়নের বিষয়টি চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া এখনো চলছে। বাংলাদেশের প্রয়োজন বিনিয়োগ, রপ্তানি বাজার, জ্বালানি নিরাপত্তা ও কর্মসংস্থান। নয়াদিল্লি, বেইজিং, ওয়াশিংটনসহ অন্যান্য রাজধানীতে তার এই ভারসাম্য রক্ষার প্রচেষ্টা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে। অন্যদিকে বিএনপির ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নির্বাচনী ইশতেহারের আলোকে কোনো একক শক্তির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা ছাড়াই বিনিয়োগ আকর্ষণের প্রতিশ্রুতি ভারসাম্য রক্ষার নীতির দিকে ইঙ্গিত করে, একক পক্ষের সঙ্গে রাজনৈতিকভাবে একীভূত হওয়ার দিকে নয়। ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী, নিয়োগের অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়েছিল।
ভারত ও বাংলাদেশের দুই শীর্ষ নেতার মধ্যকার এই করমর্দন নিছক আলোকচিত্রের চেয়েও অনেক বেশি তাৎপর্য বহন করবে। এর মধ্য দিয়ে বোঝা যাবে, ভৌগোলিক অবস্থান, ইতিহাস, বাণিজ্য ও অত্যন্ত দীর্ঘ অভিন্ন সীমান্তের বন্ধনে আবদ্ধ দুই প্রতিবেশী গভীর অবিশ্বাসের একটি অধ্যায় পেরিয়ে বাস্তবসম্মত সম্পর্ক পুনর্গঠন শুরু করতে পারে কি না। সেটি সম্পর্কের মোড় ঘোরানো মুহূর্তে পরিণত হবে কি না, তা আনুষ্ঠানিকতার চেয়ে বেশি নির্ভর করবে দুই সরকার কী নিয়ে আলোচনা করতে, দর-কষাকষি করতে এবং বাস্তবে কী অর্জন করতে প্রস্তুত, তার ওপর। বাংলাদেশের রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতি ও নেতৃত্ব এক নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে, যা দুদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। বাংলাদেশের রাজনীতির প্রতিদিনের কোলাহল থেকে দূরে তার জীবনযাপনের ধরন ছিল তুলনামূলক শান্ত। রিচমন্ড পার্কের সবুজ বিস্তৃত পথ ধরে হাঁটা এবং ইতিহাসের বই পড়া ছিল তার পছন্দের কাজগুলোর মধ্যে।
নির্বাসন থেকে প্রত্যাবর্তন ও ক্ষমতার নতুন রাজনৈতিক দিগন্ত
বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই অবস্থান দীর্ঘ নাটকীয় ঘটনার পরিক্রমায় গড়ে উঠেছে। রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের কারণে তাকে প্রায় ১৭ বছর যুক্তরাজ্যে নির্বাসনে কাটাতে হয়েছিল। যে দেশের মাটি ও রাজনীতি তার জীবনের গতিপথ নির্ধারণ করেছে, সেখান থেকে দীর্ঘদিন তিনি বহু দূরে অবস্থান করতে বাধ্য হন। ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে শেখ হাসিনার দীর্ঘদিনের সরকারের পতনের মাধ্যমে বাংলাদেশে এক বড় রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক পটপরিবর্তন ঘটে। এর ধারাবাহিকতায় ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর ঢাকায় ফিরে আসেন তারেক রহমান। উল্লেখ্য, তার মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশের অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা হিসেবে দীর্ঘদিন নেতৃত্ব দিয়েছেন। একই সঙ্গে বংশানুক্রমিক রাজনীতি, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং বিরোধী দলে থাকার সময়ের বিভিন্ন অভিযোগের কারণে তারেক রহমানকে কঠোর সমালোচনার মুখোমুখিও হতে হয়েছে। রাজনৈতিক অস্থিরতা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করা একটি দেশে ফিরেছেন তারেক রহমান। দেশে ফেরার কয়েক দিন পরই মারা যান বেগম খালেদা জিয়া। টাইম সাময়িকীকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তাকে স্বল্পভাষী ও অন্তর্মুখী হিসেবে দেখা গেছে। বিদেশে কাটানো বছরগুলো তাকে জীবনের বড় একটি অংশজুড়ে চলা রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে দূরত্ব তৈরি করার সুযোগও দিয়েছিল। এখন আর শুধু ক্ষমতার বাইরে থাকা একটি দলের নেতৃত্ব দেয়া তার কাজ নয়; বরং বিভক্ত একটি দেশ পরিচালনা করাই তার প্রধান দায়িত্ব। এই বক্তব্য দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার পথ তৈরি করেছে, তবে তাতে এমন কোনো ইঙ্গিত দেয়া হয়নি যে প্রতিবেশীদের মধ্যকার কঠিন সমস্যাগুলো মিটে গেছে। এই ভারসাম্য তিস্তার পানিবণ্টন, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং ভারতে শেখ হাসিনার অবস্থানের মতো অমীমাংসিত বিষয়গুলোকে ধারণ করতে পারে কি না, সেটিই হবে প্রকৃত পরীক্ষা। তিনি এম রিয়াজ হামিদুল্লাহর স্থলাভিষিক্ত হবেন। হামিদুল্লাহ জেনেভায় জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন। দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং অমীমাংসিত মতপার্থক্য দূর করার প্রচেষ্টার কেন্দ্রে একজন জ্যেষ্ঠ পেশাদার কূটনীতিককে স্থাপন করা হচ্ছে।
প্রবাসে থাকাকালে তিনি ব্রিটেনের সাধারণ জীবনযাত্রার স্বাধীনতা এবং সরকারি কাঠামোর সার্বক্ষণিক প্রশাসনিক চাপ ছাড়া সাধারণ মানুষের মতো ঘুরে বেড়ানোর অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করেন। তবে বাংলাদেশে ফিরেই তিনি জাতীয় ঐক্য, রাষ্ট্র পুনর্গঠন এবং দেশের বিদ্যমান অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। ২০২৬ সালের ১২ই ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নিরঙ্কুশ ও নিশ্চিত বিজয় অর্জন করে। নির্বাচনের পর ১৭ই ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করেন তারেক রহমান। এই শপথের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা হয় এবং রাষ্ট্র পরিচালনার মূল দায়িত্ব সম্পূর্ণভাবে তার কাঁধে এসে পড়ে।
আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া ও বিশ্বনেতাদের কূটনৈতিক বার্তা
নির্বাচনে বিজয়ের পর বিশ্বমঞ্চ থেকেও নতুন কূটনৈতিক প্রতিক্রিয়া আসতে শুরু করে। ভারতের পক্ষ থেকে প্রথম সারির কূটনৈতিক বার্তা আসে এক গভীর ব্যক্তিগত শোকের মুহূর্তে। বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর ঢাকা সফর করেন। এই সফরকালে তিনি নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে এক বিশেষ বৈঠকে মিলিত হন এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পক্ষ থেকে একটি ব্যক্তিগত শোকবার্তা হস্তান্তর করেন। পরবর্তীতে নির্বাচনে চূড়ান্ত বিজয়ের পরও নয়াদিল্লির সঙ্গে যোগাযোগের ধারাবাহিকতা বজায় থাকে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি টেলিফোনে তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান এবং একটি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের প্রতি ভারতের সমর্থন অব্যাহত থাকবে বলে প্রকাশ্য বার্তা দেন। একই সঙ্গে দুদেশের অভিন্ন উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করে ভারত। দুটি ঘটনাই ভারতের আনুষ্ঠানিক শোক প্রকাশের অংশ। একই সঙ্গে নেতাদের ব্যক্তিগত সখ্যের পরিবর্তে গণতান্ত্রিক বৈধতা ও অভিন্ন স্বার্থের প্রেক্ষাপটে সম্পর্কটিকে তুলে ধরা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীন থেকেও ইতিবাচক বার্তা মেলে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বিএনপি ও নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, আঞ্চলিক নিরাপত্তা, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এগিয়ে নিতে নতুন প্রশাসনের সঙ্গে কাজ করতে ওয়াশিংটন অত্যন্ত আগ্রহী। একইভাবে চীনও নির্বাচনে নতুন সরকারের বিজయాన్ని স্বাগত জানায় এবং নতুন ঢাকার নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সম্প্রসারণের ইচ্ছা প্রকাশ করে।
কূটনৈতিক বাস্তবতাবাদ ও ঢাকার নিজস্ব নীতির প্রাধান্য
আন্তর্জাতিক নানা প্রতিক্রিয়া সত্ত্বেও সম্পর্কের বরফ গলানোর প্রক্রিয়া কেবল ব্যক্তিগত সখ্যের ওপর নির্ভর করবে না। বাংলাদেশ ও ভারত উভয় পক্ষই মনে করে, কোনো দেশই অন্য দেশের কাছে তাদের প্রতিটি দাবি হুবহু মেনে নেওয়ার প্রত্যাশা করতে পারে না। ভৌগোলিক নৈকট্য মানেই যে সবসময় রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি একই রকম হবে, ভারতের এমনটা ধরে নেওয়া ঠিক হবে না। একইভাবে, আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতিতে সর্ববৃহৎ প্রতিবেশীর গুরুত্বকে বাংলাদেশও এড়িয়ে যেতে পারে না। পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ তার নিজস্ব জাতীয় স্বার্থ ও অগ্রাধিকারকেই সর্বাগ্রে বিবেচনা করবে। ফলে তারেক সরকারের অবস্থান ভারতের কাছে প্রতিফলিত হবে তার সরকারের বাস্তব সিদ্ধান্ত ও কাজের মাধ্যমে, কেবল বক্তব্যের মাধ্যমে নয়। তখন প্রতিষ্ঠানগুলো চাপের মুখে, অর্থনীতি গুরুতর সমস্যার সম্মুখীন এবং জনসাধারণের প্রত্যাশা তুঙ্গে। ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে গিয়ে শোকবইয়ে স্বাক্ষর করেন।
নতুন হাইকমিশনার নিয়োগ ও কৌশলগত অগ্রগতি
সম্পর্কের বরফ গালানোর প্রয়াসে একটি কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে বাংলাদেশে ভারতের নতুন হাইকমিশনার হিসেবে প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দীনেশ ত্রিবেদীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সাধারণত যেখানে পেশাদার কূটনীতিকদের দায়িত্ব দেওয়া হয়ে থাকে, সেখানে একজন সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে ঢাকার হাইকমিশনার হিসেবে পাঠানো নয়াদিল্লির রাজনৈতিক গুরুত্ব প্রদানকেই নির্দেশ করে। নতুন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী তার বক্তব্যে বেশ সংযত মনোভাব প্রদর্শন করে জানিয়েছেন, ভারতের তরফ থেকে আমন্ত্রণের চিঠি বহাল আছে এবং সফর নিয়ে তাড়াহুড়ো করার মতো কিছু নেই। একইভাবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরও জানান, উভয় দেশের মধ্যে আলোচনা ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে, তবে যৌথ দ্বিপাক্ষিক সফর সফল করতে একটি গঠনমূলক পরিবেশ ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী প্রশাসন এমন একটি পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করে, যেটিকে ব্যাপকভাবে নয়াদিল্লির সঙ্গে আগের তুলনায় কম ঘনিষ্ঠ হিসেবে দেখা হয়।
অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও সম্প্রীতির বার্তা
অভ্যন্তরীণ ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান পুনরুদ্ধার, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং রাষ্ট্রের প্রতি জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনার কৌশল গ্রহণ করেছেন। নির্বাচনে নিম্ন আয়ের পরিবার, কৃষক, স্বাস্থ্য খাত ও কর্মসংস্থান বাড়ানোর যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তা বাস্তবায়নে সরকার মনোযোগী হচ্ছে। রাজনৈতিক ময়দানে ‘প্রতিশোধের রাজনীতি’ বন্ধ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা দেশের কোনো উপকার নিয়ে আসে না। দলটি প্রতিষ্ঠা করেছেন তার পিতা, সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। দীর্ঘ নির্বাসনের সময় তিনি দক্ষিণ-পশ্চিম লন্ডনের কিংস্টনে স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমাকে নিয়ে বসবাস করেছেন।
দেশের সামাজিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতি জোরদার করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুর্গা পূজার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নেন, যা হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে। গত ২০ অক্টোবর রংপুরের রাধাগোবিন্দ ধর্মসভা মন্দিরে শারদীয় শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, বাংলাদেশ সকল ধর্মের মানুষের—এখানে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান সকলেরই সমান নাগরিক অধিকার রয়েছে। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং পরবর্তীতে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামগুলোতে আপামর জনতার যে ঐক্য বজায় ছিল, তা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও প্রগতিশীল বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
The post ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন অধ্যায় ও তারেক রহমানের সম্ভাব্য appeared first on Daily Sangbad Chorcha.
