আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হচ্ছে।ছবি: এই সময়
Published on
:
2 min read
কাঁকসা থানার গোপালপুরে একটি বেসরকারি গ্যাস উত্তোলন সংস্থার গোডাউনে ভয়াবহ আগুন। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে গোডাউনে আগুন লাগে। শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। পকেট ফায়ার রয়েছে। দুর্গাপুর ও পানাগড় থেকে দমকলের ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে আসে। দমকলের দু’টি ইঞ্জিন সকালেও রাখা ছিল।
গোডাউনে প্রচুর পরিমাণে পলিমার ও কাঠের গুঁড়ো মজুত করা ছিল। পলিমারের মতো দাহ্য সামগ্রী মজুত থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে যথেষ্ট বেগ পেতে হয় দমকল কর্মীদের।
এক নজরে
বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে কাঁকসা থানার গোপালপুরের একটি বেসরকারি সংস্থার গোডাউনে ভয়াবহ আগুন লাগে।
গোডাউনে প্রচুর পরিমাণে পলিমার ও কাঠের গুঁড়ো মজুত থাকায় আগুন দ্রুত চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
দুর্গাপুর ও পানাগড় থেকে দমকলের একাধিক ইঞ্জিন এসে দীর্ঘক্ষণ চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
জনবসতি থেকে গোডাউনটি দূরে থাকায় আশপাশের এলাকায় বড় ধরনের কোনও প্রভাব পড়েনি এবং কোনও হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসার পর ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছে বেসরকারি সংস্থাটি।
লোকালয় থেকে গোডাউন অনেকটা দূরে অবস্থিত হওয়ায় সংলগ্ন এলাকায় কোনও প্রভাব পড়েনি। কোনও হতাহতেরও খবর নেই। পানাগড় দমকল বিভাগের স্টেশন অফিসার বিশ্বজিৎ মুর্মু বলেন, ‘দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে গোডাউনে। এখন কিছু পকেট ফায়ার আছে। সেটা নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।’ দমকল কর্মীদের অনুমান শটসার্কিট থেকে আগুন লেগেছে।
তবে কত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা এখনই বলা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন বেসরকারি সংস্থার জনসংযোগ আধিকারিক মোনালিসা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন আগুন নিয়ন্ত্রণ হোক। তার পরে হিসাব করা হবে।
FAQs
প্রশ্ন ১: কাঁকসার কোথায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে?
উত্তর: পশ্চিমবঙ্গের কাঁকসা থানার গোপালপুরে একটি বেসরকারি গ্যাস উত্তোলন সংস্থার গোডাউনে আগুন লাগে।
প্রশ্ন ২: গোডাউনে আগুন কী ভাবে লেগেছিল বলে অনুমান করা হচ্ছে?
উত্তর: দমকল কর্মীদের প্রাথমিক অনুমান, শর্টসার্কিট থেকেই ওই গোডাউনে আগুন লেগেছিল।
প্রশ্ন ৩: এই অগ্নিকাণ্ডে কি কোনও হতাহতের খবর রয়েছে?
উত্তর: না, লোকালয় থেকে গোডাউনটি অনেকটা দূরে অবস্থিত হওয়ায় এবং দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ায় কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।