‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’-এর জাতীয় পর্যায়ে বিজয়ী সিলেট বিভাগের প্রতিযোগীদের সংবর্ধনা
খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী" title="‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’-এর জাতীয় পর্যায়ে বিজয়ী সিলেট বিভাগের প্রতিযোগীদের সংবর্ধনা
খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী">
ফুটবল-ক্রিকেটের পাশাপাশি কাবাডি, ভলিবল, হকি, দাবা, টেনিসসহ সব খেলায় প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি করতে হবে। খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পারলে সাফল্য অর্জনকারী খেলোয়াড়েরা দেশের সম্পদ ও জাতির গর্ব হয়ে উঠবেন বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্য, বস্ত্র ও পাট এবং শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
সোমবার বিকেলে সিলেট সার্কিট হাউসের সম্মেলনকক্ষে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’-এর জাতীয় পর্যায়ে বিজয়ী সিলেট বিভাগের প্রতিযোগীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
জাতীয় পর্যায়ে কাবাডি ও ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন হওয়া সিলেটের খেলোয়াড়দের অভিনন্দন জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, তোমরা সিলেটের সম্পদ। তোমাদের এই কৃতিত্ব আমরা বহু বছর মনে রাখব। সিলেটবাসীর মনে থাকবে, এই ছেলেদের নিয়ে আমরা অহংকার করতে পারি। বাংলাদেশে খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে নেওয়ার সুযোগ এখনো সব ক্ষেত্রে সমানভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। ফুটবল ও ক্রিকেটের খেলোয়াড়েরা তুলনামূলক বেশি স্বীকৃতি পেলেও অন্য খেলাগুলোতে সেই সুযোগ বাড়াতে হবে। নারী-পুরুষ যে খেলাতেই সাফল্য অর্জন করুন না কেন, তাঁদের যথাযথ স্বীকৃতি ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
কাবাডি খেলোয়াড়দের অনুশীলনের জন্য টার্ফসহ প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, সিলেট সদর উপজেলার সাতটি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া সিটি করপোরেশনের প্রতি তিনটি ওয়ার্ডের জন্য একটি করে খেলার মাঠের ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, ক্রীড়াঙ্গনে নেতৃত্ব দেওয়ার এখনই সময়। সবার প্রত্যাশা বিবেচনায় নিয়ে দায়িত্বশীলদের কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে সংকোচ বোধ করা জিসান নামের এক তরুণকে উৎসাহিত করে মন্ত্রী বলেন, শুরুতে মাইকে কথা বলতে আমার নিজেরও নার্ভাস লাগে। আজ যিনি কথা বলতে পারেননি, কয়েক বছর পর তিনিই সাবলীলভাবে কথা বলবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য এমএ মালেক, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সিলেট বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান, সিলেট ওয়াসার চেয়ারম্যান মিফতাহ্ সিদ্দিকী, বিভাগীয় সদস্য সচিব সিদ্দিকুর রহমান পাপলু ও জেলা সদস্যসচিব রেজাউল করিম নাচনসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
