ঢাকা মহানগরী উত্তর-দক্ষিণ জামায়াতের রুকন সম্মেলনে আমীরে জামায়াত
জনগণের ভালোবাসাকে শক্তিতে পরিণত করে সৎ, যোগ্য ও খোদাভীরু নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি।
- ২০২৭-২০২৮ কার্যকালের আমীর নির্বাচনে ভোট দিলেন রুকনরা
জনগণের ভালোবাসাকে শক্তিতে পরিণত করে সৎ, যোগ্য ও খোদাভীরু নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি। তিনি বলেছেন, জনগণ আমাদের ভোট দিয়েছে, কিন্তু তা ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। জাতীয় নির্বাচনে নিজেদের ভুলত্রুটি ও দুর্বলতার জায়গাগুলো চিহ্নিত করা গেছে। ভবিষ্যতে যেন একই ভুলের পুনরাবৃত্তি না হয়, সেদিকে সতর্ক থাকতে হবে।
গতকাল শুক্রবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তরের রুকন সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সম্মেলনে ২০২৭-২০২৮ কার্যকালের জন্য ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীর নির্বাচনে ভোট দেন ১৩ সহস্রাধিক রুকন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমাদের মূল লক্ষ্য হলো আল্লাহর জান্নাতে যাওয়া। যারা দিন আনে দিন খায়, আল্লাহর পথে তাদের অবদানও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে ৭০ ভাগ মানুষ অংশগ্রহণ করেছেন, যারা দিন আনে দিন খায়।
রুকনদের উদ্দেশে তিনি অতীত সময়ে সংগঠনের দায়িত্বশীলদের সংগঠন পরিচালনায় নিজেদের জীবন উৎসর্গ করার বিষয়টি তুলে ধরেন। একই সঙ্গে বর্তমান সময়ে স্বাধীনভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে নসিহতমূলক বক্তব্য দেন।
তিনি বলেন, আল্লাহ আমাদের যাদের সম্পদ দিয়েছেন, আমরা যেন তার নিয়ামতের যথাযথ কৃতজ্ঞতা আদায় করি। জান্নাতের জন্য নিজেদের ঠিকানা তৈরি করতে হবে। কুরআনের বিভিন্ন আয়াতের আলোকে তিনি রুকনদের উদ্দেশে আলোচনা করেন। এ সময় মৃত্যু ও পরকালীন জীবন নিয়েও আলোচনা করেন।
তিনি বলেন, আমার চেয়ে কে দুর্বল, তা জ্ঞান ও সম্পদের দিক থেকে বিবেচনা করতে হবে। মহান আল্লাহর দেওয়া নিয়ামতের জন্য চোখের পানি ফেলে তাঁর শুকরিয়া আদায় করতে হবে এবং তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ থাকতে হবে।
নবী ইবরাহিম (আ.) ও নবী ইসমাইল (আ.)-এর ওপর আল্লাহর পরীক্ষা এবং তাঁদের ত্যাগের বিষয়েও আলোচনা করেন জামায়াত আমীর। তিনি বলেন, আল্লাহর সাহায্য ছাড়া আমরা কিছুই করতে পারব না। তাই প্রতি মুহূর্তে মহান আল্লাহর সাহায্য কামনা করতে হবে। একটি সার্থক জীবন গড়ে দুনিয়া থেকে বিদায় নেওয়ার তাওফিক কামনা করে তিনি বলেন, মহান আল্লাহ যেন আমাদের সেই তাওফিক দান করেন।
ঢাকা মহানগরী উত্তর ও দক্ষিণের অতীত সাংগঠনিক পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, একসময় দুই মহানগরীর অবস্থাই অনেক দুর্বল ছিল। ভাই-বোনদের ত্যাগ, কুরবানি ও পরিশ্রমের মাধ্যমে আজকের এই অবস্থানে পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে।
জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জনগণ আমাদের ভোট দিয়েছে, কিন্তু তা ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। জনগণ আমাদের বলে, ভোট আপনাদের দিয়েছিলাম, কিন্তু আপনারা তা রক্ষা করতে পারলেন না। তখন আমাদের বলতে হয়, আমাদের দুর্বলতা ছিল।
তিনি বলেন, আল্লাহর শুকরিয়া যে মানুষ আমাদের এত ভালোবাসা দিয়েছেন। জাতীয় নির্বাচনে নিজেদের ভুলত্রুটি ও দুর্বলতার জায়গাগুলো চিহ্নিত করা গেছে। ভবিষ্যতে যেন একই ভুলের পুনরাবৃত্তি না হয়, সেদিকে সতর্ক থাকতে হবে।
আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচন প্রসঙ্গে জামায়াত আমীর বলেন, যাদের প্রার্থী করা হয়েছে, তাদের মধ্যে আল্লাহর দেওয়া জ্ঞানের বড় নিয়ামত রয়েছে। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে প্রাচীর গড়ে তুলতে হবে। কোনো চোরকে আর ছাড় দেওয়া হবে না।
তিনি বলেন, আমরা থামব না, আমাদের থামার সুযোগ নেই। সামনে সিটি নির্বাচনে সর্বোচ্চ সামর্থ্য দিয়ে দিনরাত এক করে কাজ করতে হবে। জাতীয় নির্বাচনের ভুলগুলো নিয়ে পর্যালোচনা হয়েছে। এবার সেগুলোর আলোকে কাজ করলে আশা করি আর ভুল হবে না। এই দেশের জনগণই ঠিক করবে, দেশ কারা পরিচালনা করবে।
সমাজ পরিবর্তনের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, আমরা বসে বসে আর তামাশা দেখব না। সংগতভাবেই প্রতিবাদ করব এবং যেখানে আমাদের সামর্থ্য হবে, সেখানে প্রতিরোধ গড়ে তুলব। এই দেশ কুরআনের ভিত্তিতে পরিচালিত হবে, ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ যেন তাঁর রহমতের চাদরে আমাদের আবৃত রাখেন এবং সহযোগিতা করেন।
আসন্ন নির্বাচনে সৎ, যোগ্য ও খোদাভীরু নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করার জন্য রুকনদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, রুকনিয়াত কোনো পদ-পদবি নয়, এটি একটি মান। তাই এটিকে ক্ষমতা মনে করলে আমরা ভুল করব। রুকনিয়াত হলো জীবনের নীতি-নৈতিকতার মান বজায় রাখার একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। রুকন হিসেবে আমাদের আরও দায়িত্বশীল হতে হবে।
তিনি বলেন, আমাদের মান ও রুহানিয়াত যত শক্তিশালী হবে, সংগঠন তত শক্তিশালী হবে। আগামী মেয়র নির্বাচনে শক্তিশালী ভূমিকা পালনের মাধ্যমে ত্যাগ-তিতিক্ষার প্রমাণ দিতে হবে। তাহলে মেয়র ও কাউন্সিলর নির্বাচনে যথাযথ সফলতা অর্জন করা সম্ভব হবে।
ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীর মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বলেন, রুকন সংখ্যা যেমন বেড়েছে, তেমনি মানের দিক থেকেও ভালো, উন্নত ও শৃঙ্খলাবদ্ধ হতে হবে। আমরা আস্থাভাজন নেতৃত্ব গড়ে তুলব। একই সঙ্গে একটি মজবুত সংগঠন গড়ে তোলা হবে, ইনশাআল্লাহ।
সম্মেলন উপলক্ষে ঢাকা মহানগরী উত্তরের উদ্যোগে তৈরি ‘নাগরিক সেবা’ নামের একটি অ্যাপ উদ্বোধন করেন ডা. শফিকুর রহমান। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, অ্যাপটিতে নাগরিকদের জন্য ৫০টিরও বেশি সেবামূলক সুবিধা রয়েছে।
সম্মেলনটি দুটি অধিবেশনে অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৯টা ৪৫ মিনিট থেকে ১১টা পর্যন্ত নির্বাচনী অধিবেশনে ২০২৭-২০২৮ কার্যকালের জন্য ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীর নির্বাচনে রুকনরা ভোট দেন। নির্বাচন পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইসন। তাকে সহায়তা করেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য নুরুল ইসলাম বুলবুল এমপি ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য আ. সবুর ফকির। আয়োজকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এ নির্বাচনে ১৩ সহস্রাধিক রুকন ভোট প্রদান করেন।
সকাল ১১টা থেকে শুরু হয় সাংগঠনিক অধিবেশন। কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীর মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও মহানগরীর সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিমের সঞ্চালনায় অধিবেশনে প্রধান অতিথি ছিলেন ডা. শফিকুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান এমপি। বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন ও নুরুল ইসলাম বুলবুল এমপি।
ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াতের সদস্য (রুকন) সম্মেলনে ডা. শফিকুর রহমান
জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান বলেন, রাজনীতিতে জনগণের আস্থা অর্জন সবচেয়ে বড় সাফল্য। জামায়াতে ইসলামী এদেশের জনগণের আস্থাশীল একটি রাজনৈতিক আদর্শিক সংগঠন।
গতকাল শুক্রবার বিকেলে বাংলাদেশ-চীনমৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সদস্য (রুকন) সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী অতীত ও ঐতিহ্য ধারণ করে। তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী কখনো ইসলাম ও মানবতার বিরুদ্ধে কোনো সিদ্ধান্ত নেয় নি। ইসলামের নীতিমালা জামায়াতে ইসলামী অনুসরণ করে বলেই এদেশের জনগণের আস্থা তৈরি হয়েছে।
বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, শুধু একাত্তর নয় চব্বিশ পরবর্তীও জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে নানারকম ন্যারেটিভ তৈরি করে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। কিন্তু জনগণ কোনো ন্যারেটিভ গ্রহণ করে নি বরং ন্যারেটিভ তৈরিকারীদের প্রত্যাখ্যান করেছে। তিনি বলেন, অনেক সময় দেখা যায়, যারা জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছে তারা নিজেরাও নিজেদের বিরুদ্ধে ফতোয়া নাযিল করে। জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার আর মনগড়া ফতোয়া দেওয়া থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীর কার্যক্রমের চেয়ে আরও ভালো কোনো কার্যক্রম যদি কেউ পরিচালনা করতে পারে তবে জামায়াতে ইসলামী তাদের বিরোধিতা না করে সহযোগিতা করবে, ইনশাআল্লাহ।
আমীরে জামায়াত বলেন, রাসূল (সা.) দুটি যুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহণ করলেও অন্য যুদ্ধে কৌশল অবলম্বন করে বিপরীত দিক থেকে বিজয় অর্জন করেছিলেন। বিজয়ের অন্যতম শর্ত হচ্ছে কৌশল অবলম্বন করা। তিনি বলেন, রাজনৈতিক কৌশলকে তারাই গুপ্ত বলে যারা দেশের সংকটকালে কৌশল অবলম্বন করতে ব্যর্থ হয়ে বিদেশে পালিয়ে যায়।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকার চারটি আসন ডাকাতি করে জামায়াতে ইসলামীর বিজয় ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছিল উল্লেখ করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ঢাকাবাসীকে চাঁদাবাজদের হাত থেকে রক্ষা করতে আসন্ন সিটি কপোরেশন নির্বাচনে প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে জনগণের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে। আবারও নির্বাচনে কোনো ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের চেষ্টা হলে সঙ্গে সঙ্গে প্রতিহত করা হবে বলে সতর্ক করেন।
জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সংগঠনের নায়েবে আমীর এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি বলেন, শুধু স্লোগান দিয়ে বিপ্লব হয় না। বিপ্লবের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করতে হয়। তিনি আরও বলেন, জুলাই পরবর্তী রাষ্ট্র সংস্কার না করে সরকার জাতিকে আরেকটি অনিবার্য বিপ্লবের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। জনগণ রাজপথে নেমে আসলে পরবর্তী বিপ্লব কেউ ঠেকাতে পারবে না উল্লেখ করে তিনি সরকারকে সতর্ক করে বলেন, জনগণ রাজপথে নেমে আসার আগে গণভোটের গণরায় মেনে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পথ তৈরি করলে সরকারই উপকৃত হবে। তিনি আরও বলেন, আমরা জামায়াতে ইসলামীকে ক্ষমতায় নিতে চাই না। আমরা ইসলামের বিজয়ের জন্য জামায়াতে ইসলামীকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় চাই। জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে এদেশে নামায কায়েম হবে, যাকাত আদায় হবে, মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত হবে। সমাজে মাদক, সন্ত্রাস-চাঁদাবাজ থাকবে না। ফলে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা হবে।
সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সংগঠনের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি বলেন, বাংলাদেশে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সর্ববৃহৎ ইসলামী দল হচ্ছে জামায়াতে ইসলামী। জনগণ জামায়াতে ইসলামীকে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য ভোট দিয়ে নিবর্বাচিত করলেও ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে জামায়াতে ইসলামীর বিজয় ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছিল। আসন্ন সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদসহ স্থানীয় সরকারের সকল নির্বাচনে কোনোভাবেই ফলাফল ইঞ্জিনিয়ারিং করতে দেওয়া হবে না।
কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীর মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বলেন, জামায়াতে ইসলামীর জনকল্যাণমুখী কার্যক্রম অব্যাহতভাবে সমাজের প্রতিটি স্তরে পৌঁছাতে হবে। সমাজ সংস্কারের লক্ষ্য আমাদের কার্যক্রম জনগণের কাছে পৌঁছাতে হবে। তিনি আরও বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জনগণের বিজয়ের জন্য আপসহীন ভূমিকা রাখতে হবে। জনগণের বিজয় যাতে কেউ ছিনিয়ে নিতে না পারে এজন্য ঢাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে প্রস্তুত থাকতে তিনি সংগঠনের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান।
ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫ বছরের ইতিহাসে বর্তমান ডাকসু যেভাবে শিক্ষার্থীদের জন্য কাজ করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের জনগণ আমাদেরকে নির্বাচিত করলে একইভাবে নগরবাসীকে একটি আধুনিক সিটি করপোরেশন উপহার দেওয়া হবে। ঢাকাকে নিরাপদ ও বাসযোগ্য শহর হিসেবে গড়ে তুলতে তিনি নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন।
সংগঠনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপির পরিচালনায় সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য যথাক্রমে সাইফুল আলম খান মিলন এমপি, মোবারক হোসাইন প্রমুখ। এসময় সংগঠনের কেন্দ্রীয় ও মহানগরী নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
