সংবাদ · রাজনীতি
কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়, অনিয়মে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী : আইনমন্ত্রী
১৯/১০/২০২৬

কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয় উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, সাধারণ মানুষের প্রত্যাশার পরিপন্থি কোনো কাজ হলে সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী। ইতোমধ্যে তিনি তা প্রমাণও করেছেন।সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে ঝিনাইদহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের (পিটিআই) নতুন ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন।অভিযোগ ওঠা একটি অভিযানের বিষয়ে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেন, সরকার বা প্রশাসনের কেউ যদি সাধারণ মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার বাইরে গিয়ে কোনো কাজ করেন, তবে বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী নিজে তদারকি করেন এবং প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেন।এ সময় এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, আগে যেভাবে এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতেন, এখনো তারা সেভাবেই অংশ নিতে পারবেন। এতে আইনগত কোনো বাধা নেই। এ বিষয়ে নতুন কোনো আইনি পরিবর্তনও আনা হয়নি। তাই আইনি প্রক্রিয়ায় নতুন কোনো সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত তারা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন।স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠু ও সুন্দর করতে সরকার আশাবাদী মন্তব্য করে তিনি আরও বলেন, আসন্ন নির্বাচনগুলোতে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখতে পাওয়া যাবে। সরকারের কাজের মাধ্যমেই এর প্রমাণ মিলবে, তাই জনগণকে সরকারের ওপর আস্থা রাখার আহ্বান জানান তিনি।সারের ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগের জবাবে আইনমন্ত্রী জানান, নির্ধারিত ও স্বচ্ছ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই সারা দেশে সারের ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এখানে কোনো ধরনের অনিয়ম হয়নি।বিরোধী দলের সমলোচনার প্রসঙ্গে আসাদুজ্জামান বলেন, “বিরোধী দলকে রাজনীতি করতে হলে কোনো না কোনো ইস্যু সামনে আনতে হয়। সরকারের ভালো কাজেরও বিরোধিতা করা তাদের রাজনৈতিক অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। তবে সরকার এসব সমালোচনায় কান না দিয়ে জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে।”এর আগে সকালে মন্ত্রী ঝিনাইদহ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় যোগ দেন এবং চিকিৎসা সেবার মানোন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করেন।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন, ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসক নোমান হোসেন, পুলিশ সুপার মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছান এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক এম এ মজিদ।
মূল প্রতিবেদনে যান ↗