The Sangbad · সাধারণ
মনোহরদীতে দুর্গোৎসবের প্রস্তুতির শেষ মুহূর্তে ব্যস্ততা
১৪/১০/২০২৬

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজাকে ঘিরে নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলাজুড়ে এখন উৎসবের আমেজ। পূজা মণ্ডপগুলোতে চলছে প্রতিমা শিল্পীদের চরম ব্যস্ততা। শিল্পীদের নিপুণ হাতের ছোঁয়া আর রং-তুলির আঁচড়ে একে একে রূপ পাচ্ছে মৃন্ময়ী প্রতিমাগুলো।উপজেলার বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ ও প্রতিমা তৈরিশালা ঘুরে দেখা যায়, বাঁশ, কাঠ, খড় ও কাদামাটির মূল কাঠামোর কাজ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। অধিকাংশ স্থানে মাটির প্রলেপ শুকানোর পর এখন চলছে মুখাবয়ব নিখুঁত করার শেষ মুহূর্তের কাজ। পাশাপাশি প্রতিমায় রং-তুলির পরশ দেওয়া এবং দেবীকে পোশাক ও অলংকারে সাজিয়ে তোলার কাজ চলছে পুরোদমে।দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে কেনাকাটায় জমে উঠেছে উপজেলার বিভিন্ন মার্কেট ও শপিং মল। স্থানীয় বাজারের পাশাপাশি ক্রেতারা পোশাক কিনতে নরসিংদী সদর, শেখেরচর-মাধবদীর বাবুরহাট এবং ঢাকার বিভিন্ন বিপণিবিতানে ভিড় করছেন।মনোহরদীর রসুলপুর গ্রামের ‘শ্রী শ্রী জগন্নাথ শিল্পালয়’ ও হাতিরদিয়া এলাকার কারিগররা জানান, গত বছরের তুলনায় এবার প্রতিমার চাহিদা ভালো। তবে মাটি, বাঁশ, কাঠ, খড় ও রং সহ যাবতীয় কাঁচামালের দাম এবং শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রতিমা তৈরির খরচ অনেক বেড়ে গেছে।উপজেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সভাপতি সঞ্জয় কুমার রায় রাজিব বলেন, ‘উৎসবটি যেন সবাই মিলে নির্বিঘ্নে ও আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপন করতে পারি, সে বিষয়ে আমরা আশাবাদী। উপজেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকেও সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস পাওয়া গেছে।’সার্বিক নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা প্রসঙ্গে মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা জানান, উপজেলার মোট ৫৪টি পূজা মণ্ডপকে নিরাপত্তার স্বার্থে তিনটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে - যার মধ্যে ৯টি অধিক গুরুত্বপূর্ণ, ২৬টি গুরুত্বপূর্ণ এবং ১৯টি সাধারণ মণ্ডপ।তিনি আরও জানান, পূজা চলাকালে যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে এবং সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে মোটরসাইকেল মোবাইল টিম, বিশেষ মোবাইল টিম, স্ট্রাইকিং ফোর্স ও গোয়েন্দা পুলিশসহ (ডিবি) আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সার্বক্ষণিক মাঠে দায়িত্ব পালন করবেন।
মূল প্রতিবেদনে যান ↗