Published on
:
2 min read
শিশুদের জন্য আরও বেশি সিনেমা তৈরি হওয়া দরকার বলে মনে করেন অভিনেত্রী রসিকা দুগ্গল। তাঁর মতে, এমন ছবি প্রয়োজন, যা ছোটদের আনন্দ দেওয়ার পাশাপাশি তাদের কল্পনাশক্তি বাড়াবে এবং প্রশ্ন করতে উৎসাহ দেবে। নানা ধরনের সিনেমা নিয়ে অনেক আলোচনা হয়। কিন্তু এই আলোচনায় প্রায়শই উপেক্ষিত থেকে যায় শিশুদের কথা। অভিনেত্রীর মতে, ছোটদের জন্য এমন ছবি তৈরি হওয়া প্রয়োজন, যা তাদের আনন্দ দেওয়ার পাশাপাশি প্রশ্ন করতে, কল্পনা করতে এবং চারপাশের পৃথিবীকে বুঝতে সাহায্য করবে।
‘মির্জাপুর দ্য মুভি’-র সাফল্যের পর এ বার ছোটদের ছবি, কৌশল ওঝা পরিচালিত ‘লিটল থমাস’ নিয়ে আসছেন রসিকা। ছবিতে জেসি মিরান্ডার চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। ছবির কেন্দ্রে রয়েছে কৌতূহলী ছোট্ট থমাস। কোথা থেকে শিশুর জন্ম হয়, কিংবা তার নিজের কেন একটি ভাই বা বোন নেই—এমন প্রশ্নই এগিয়ে নিয়ে যায় গল্পকে। শিশুমনের সরল কৌতূহল এবং পারিবারিক সম্পর্কের নানা দিক উঠে এসেছে ছবিতে। শিশুদের জন্য আরও বেশি সিনেমা তৈরির প্রয়োজনীয়তা প্রসঙ্গে রসিকার বক্তব্য, ‘সিনেমা আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রসারিত করে এবং কল্পনাশক্তিকে উসকে দেয়।
প্রাপ্তবয়স্ক আমাদের অনেক চিন্তা ও ধারণার শিকড় লুকিয়ে থাকে ছোটবেলায় দেখা ছবির মধ্যে। তাই শিশুদের নিজেদের সঙ্গে মেলাতে পারার মতো সিনেমা প্রয়োজন, যা তাদের কৌতূহলকে অবহেলা না করে বরং উৎসাহ দেবে।’ তাঁর মতে, শিশুদের সিনেমা একই সঙ্গে বিনোদনমূলক ও অর্থবহ হতে পারে, অযথা নীতিকথা না শুনিয়েও। ‘লিটল থমাস’ সেই ভাবনাকেই পর্দায় তুলে ধরেছে। কচিকাঁচাদের প্রশ্নকে তুচ্ছ না করে, তাদের সঙ্গে খোলামেলা কথোপকথনের গুরুত্ব মনে করিয়ে দেয় এই ছবি।
ছোটদের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে গল্প বলার এই প্রয়াস বড়দেরও নতুন করে ভাবতে শেখাতে পারে। কারণ, ছোটদের মনে জাগা প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার ক্ষেত্রে ধৈর্য ও সংবেদনশীলতা অত্যন্ত জরুরি। শিশুদের কৌতূহলকে দমন না করে তাকে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করা এবং তাদের ভাবনার জগৎকে সম্মান জানানোই এই ছবির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বার্তা। এই ছবিতে রসিকার বিপরীতে দেখা যাবে গুলশন দেভাইয়াকে। ছোট্ট থমাসের চরিত্রে অভিনয় করেছে হৃদাংশ পারেখ। ২০২৪–এ তৈরি করা ছবিটি সদ্য মুক্তি পেয়েছে বড় পর্দায়।