

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের উত্তরার বাসার সামনে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন ছাত্র-জনতা। সোমবার সকালে শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচি থেকে তার গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয়।
জি এম কাদের ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন এবং দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে যুক্ত রয়েছেন—এমন অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ মিছিল থেকে বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দেওয়া হয়।
বিক্ষোভকারীরা ব্যানার নিয়ে মিছিলে অংশ নেন। তাদের হাতে থাকা ব্যানারে জি এম কাদেরের গ্রেপ্তারের দাবি তুলে ধরা হয়। এ সময় বাসায় হামলার ঘটনা ঘটে।
বিক্ষোভকারীদের দাবি, শেখ হাসিনার সঙ্গে জি এম কাদেরের যোগাযোগ এবং সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগের বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবিও জানান তারা।
সরকার পরিচালনায় আব্বাসীর সহযোগিতা চাইলেন রাশেদ খাঁন
ইসলামী চিন্তাবিদ ও আলেম মুফতি ড. সাইয়্যদে মুহাম্মাদ এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন। এসময় সরকার পরিচালনায় এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীর সহযোগিতা চান তিনি। সাক্ষাৎকালে দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি, সমসাময়িক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন- অগ্রযাত্রা, রাষ্ট্র পরিচালনা ইসলামি মূল্যবোধকে ধারণ এবং সরকার ও দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় আলেমসমাজের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়। রোববার (১১ অক্টোবর) নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে অবস্থিত আব্বাসী মঞ্জিলে দুপুরে এই সাক্ষাৎ করেন তিনি। সাক্ষাৎকালে মো. রাশেদ খাঁন ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে মুফতি ড. এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীর সক্রিয় ভূমিকা ও অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং সরকার পরিচালনায় তার সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন। রাশেদ খাঁন বলেন, আধিপত্যবাদ ও আগ্রাসন বিরোধী আন্দোলন এবং জুলাই গণভ্যুথানে ড. এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী সাহেবের ও আলেম-ওলামাদেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। এই ভূমিকা ভাষায় বর্ণনা করে শেষ করা যাবে না। রাশেদ খাঁন আরও উল্লেখ করেন, বিএনপির সঙ্গে দেশের আলেম সমাজের ঐতিহাসিকভাবে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান। বিএনপি ধর্মীয় মূল্যবোধ, ইসলামী আদর্শ এবং মানুষের ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি অত্যন্ত শ্রদ্ধাশীল। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্প্রীতি ও সহযোগিতার ভিত্তিতে একটি শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। এসময় তিনি ‘বিএনপি সরকারের প্রথম ১৮০ দিন’ নামক একটি বই ড. এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীর হাতে তুলে দেন। অন্যদিকে, মুফতি ড. সাইয়্যদে মুহাম্মাদ এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিভিন্ন ইসলামী ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আলেম-ওলামা ও ইসলামপন্থী জনগোষ্ঠীর প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিলেন। দেশের ধর্মীয় মূল্যবোধ ও ইসলামী ঐতিহ্য সংরক্ষণে তাঁদের ভূমিকার কথাও তিনি স্মরণ করেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, বিএনপি সরকার ইসলামী মূল্যবোধ বিরোধী কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে না এবং দেশের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে আলেম ওলামাদের পরামর্শ নেবেন। পাশাপশি কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্দিষ্ট বিষয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহনের সুযোগ নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের উন্নয়ন, শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সার্বিক কল্যাণ কামনা করেন।

কোনো সংশোধন নয়, গণভোটের রায়ের ভিত্তিতে সংবিধান সংস্কার করতে হবে: যশোরে মিয়া গোলাম পরওয়ার
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, কোনো সংশোধন নয়, গণভোটের রায়ের ভিত্তিতে সংবিধানের সংস্কার করতে হবে। এটা না মানার অর্থই হলো জনগণের আস্থার প্রতি গদ্দারি করা, বিশ্বাসঘাতকতা করা। আজ রবিবার দুপুরে প্রেসক্লাব যশোরে তৃতীয় দফার লং মার্চ সফল করতে খুলনা বিভাগীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে আয়োজিত এক প্রস্তুতি সভার আগে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আইনশৃঙ্খলার অবনতি এবং সরকারের ভূমিকার সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, কোনো ধরনের আইনি পদ্ধতি বা গণভোটের রায় এড়িয়ে একদলীয়ভাবে সংবিধান সংশোধন করার উদ্যোগকে জনগণ মেনে নেবে না। গণভোটের রায়ের ভিত্তিতেই মৌলিক কাঠামোগত সংস্কার করতে হবে। লং মার্চ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, লং মার্চ নিয়মতান্ত্রিক, গণতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি। এটা দিয়ে জুলাই অভ্যুত্থানের পক্ষে জনমত সংঘটিত করতে চাই। সরকার যে জনগণের বিশ্বাসকে ভঙ্গ করেছে, জাতিকে সেটাই আমরা জানাতে চাই। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতির কথা উল্লেখ করে সেক্রেটারি জেনারেল আরো বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতির এতই অবনতি যে, পুলিশকে একা চলতে নিষেধ করতে হচ্ছে। পুলিশ এবং সাধারণ মানুষ সকলের নিরাপত্তা আজ হুমকির মুখে। দফায় দফায় জ্বালানি তেল, গ্যাসসহ দ্রব্যমূল্যের মূল্যবৃদ্ধির সমালোচনা করেন জামায়াতের এ শীর্ষ নেতা। তিনি বলেন, সরকার অনিয়ম, দুর্নীতির কারণেই সবকিছু লাগামহীন। এটা নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। বর্তমান সরকার দেশের মঙ্গলের চেয়ে দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়নে ব্যস্ত অভিযোগ করে তিনি বলেন, সরকার সবার আগে বাংলাদেশ নয় সবার আগে বিএনপিতে বিশ্বাসী। সারের ডিলারশিপ ও দলীয়করণের মাধ্যমে একদলীয় শাসন কায়েম করার চেষ্টা চলছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। সংবাদ সম্মেলনে আগামী ৩১শে অক্টোবর (শনিবার) ঢাকার বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেট থেকে শুরু হয়ে খুলনা ও ঝিনাইদহ হয়ে কুষ্টিয়ায় গিয়ে সমাপ্ত হতে যাওয়া এই তৃতীয় দফার লং মার্চ কর্মসূচি সফল করতে দলমত নির্বিশেষে সকলের সহযোগিতা কামনা করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চলের পরিচালক মোবারক হোসেন, যশোর জেলা কমিটির আমির অধ্যাপক গোলাম রসুল এমপিসহ শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান
তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এমপি। রবিবার (১১ অক্টোবর) সকাল ৯টায় তিনি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। এ সময় তাকে ফুলের তোড়া দিয়ে স্বাগত জানান জামায়াতের নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াতের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তর জামায়াতের আমির মো. সেলিম উদ্দিন। গত ৭ অক্টোবর (বুধবার) তুরস্কের ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত ‘সেকেন্ড ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন বাংলাদেশ স্টাডিজ’-এ প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিতে ঢাকা ত্যাগ করেন ডা. শফিকুর রহমান। তুরস্কে পৌঁছে গত ৮ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার প্রফেসর ড. নুমান কুরতুলমুশের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। এ সময় স্পিকারের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তুরস্কের পার্লামেন্টের বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপের চেয়ারম্যান আকিফ ইলমাজ এমপি প্রমুখ। গত ৯ অক্টোবর তুরস্কের ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত ‘সেকেন্ড ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন বাংলাদেশ স্টাডিজ’-এ প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি। সম্মেলনে বাংলাদেশ, তুরস্কসহ বিভিন্ন দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, নীতিনির্ধারক, কূটনীতিক, গবেষক এবং বিভিন্ন সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এতে বাংলাদেশের চলমান সংস্কারপ্রক্রিয়া, ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রগঠন এবং তুরস্ক ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার সম্ভাবনাসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান সম্মেলনের প্রতিপাদ্যসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশবিষয়ক গবেষণা, নীতিনির্ধারণী সংলাপ এবং পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ক্ষেত্রে এ ধরনের সম্মেলন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক কোনো সাম্প্রতিক বা কেবল কয়েক দশকের বিষয় নয়; তুরস্কের জনগণের সঙ্গে আমাদের রয়েছে শত বছরের ঐতিহ্যগত সম্পর্ক। আর এই সম্পর্ক আগামীতে আরও সামনের দিকে এগিয়ে যাবে, ইনশাআল্লাহ।’ তুরস্কে সম্মেলনে অংশগ্রহণ শেষে জামায়াতে ইসলামীর আমির সৌদি আরবে পবিত্র ওমরাহ পালন করেন। এরপর আজ ১১ অক্টোবর সকালে তিনি দেশে প্রত্যাবর্তন করেন।

মক্কা চুক্তি নিয়ে তুরস্ক সরকারের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে: জামায়াত আমীর
মক্কা চুক্তি নিয়ে তুরস্ক সরকারের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর শফিকুর রহমান। রোববার (১১ অক্টোবর) সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তুরস্ক সফর ও সৌদি আরবে ওমরাহ পালন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। জামায়াত আমীর বলেন, তুরস্ক ইন্টারন্যাশনাল এই কনফারেন্সে যোগদানের মূল উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরা। তিনি বলেন, সেখানে তুরস্ক সরকারের সঙ্গে আলাপ-আলোচনায় দেশের শিক্ষা, গার্মেন্টস সেক্টর ও মক্কা প্যাকসহ নানা বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বিশ্ব এখন অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, কোনো হামলাই বিশ্বের জন্য কল্যাণকর নয়। আলোচনার মাধ্যমেই বিশ্বে শান্তি ফিরে আসা উচিত। এর আগে, ৭ অক্টোবর তুরস্কের ইস্তাম্বুল ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিতব্য ‘সেকেন্ড ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন বাংলাদেশ স্টাডিজ’-এ অংশ নিতে তুরস্কে যান শফিকুর রহমান। সম্মেলনে বাংলাদেশ, তুরস্ক এবং অন্যান্য দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, নীতিনির্ধারক, কূটনীতিক, গবেষক এবং বিভিন্ন সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম অবশেষে গ্রেফতার
ঢাকার তুরাগ থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের খুলনার ফুলতলা উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন ওরফে এস কে সাদ্দামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার (১০ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে তুরাগ থানার খালপাড় ব্রিজ-সংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তথ্য অনুযায়ী, সাদ্দামের বিরুদ্ধে খুলনার বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। ডিএমপির ক্রাইম ডাটা ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (সিডিএমএস) পর্যালোচনায় তার বিরুদ্ধে দিঘলিয়া ও ফুলতলা থানায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনসহ দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় মামলা থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। এসব মামলার মধ্যে হত্যা, হত্যাচেষ্টা, চুরি ও অন্যান্য অভিযোগ রয়েছে। ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গ্রেপ্তার সাদ্দাম হোসেন ওরফে এস কে সাদ্দামের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।


