Published on
:
2 min read
চাঁদার জুলুমের শিকার দুই গ্যারাজ কর্মী। এমনই অভিযোগ দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে। ১৫ হাজার টাকা না দেওয়ায় তাঁদের বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। বারুইপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন আক্রান্তরা। বারুইপুর থানার খাসমল্লিক সংলগ্ন এলাকার একটি গ্যারাজের ঘটনা।
১৫ হাজার টাকা চাঁদা চাওয়ার অভিযোগ
গত কয়েক বছরে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় চাঁদার জুলুমবাজির অভিযোগ উঠেছে। দুর্গাপুজো (Durga Puja 2026), কালীপুজো এমনকী সরস্বতী পুজোতেও চাঁদা চেয়ে ‘দাদাগিরি’ চলেছে বলে অভিযোগ সামনে এসেছে। যদিও পরিবর্তনের বাংলায় চাঁদার জুলুমবাজি চলবে না বলেই স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে বিজেপি। অভিযোগ, তার পরেও চাঁদার দাবিতে মারধরের অভিযোগ উঠল বারুইপুরে।
এক নজরে
চাঁদার দাবি: বারুইপুরের খাসমল্লিক সংলগ্ন এলাকার একটি গ্যারাজে ১৫ হাজার টাকা চাঁদা চাওয়ার অভিযোগ।
১ হাজার টাকা দিতে রাজি: গ্যারাজ কর্তৃপক্ষ ১ হাজার টাকা দিতে চাইলেও তা গ্রহণ করা হয়নি বলে দাবি।
দুই কর্মীকে মারধরের অভিযোগ: আক্রান্ত দুই কর্মী মধু মণ্ডল ও পিন্টু চৌধুরী।
থানায় লিখিত অভিযোগ: ঘটনার পর বারুইপুর থানার দ্বারস্থ হয়েছেন আক্রান্তরা।
সিসিটিভি ফুটেজ: গ্যারাজের এক কর্মীর দাবি, ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ রয়েছে। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
অভিযোগ, একটি পুজো কমিটির লোকজন এসে ১৫ হাজার টাকা চাঁদা চান। কিন্তু গ্যারাজ কর্তৃপক্ষ ১ হাজার টাকা দিতে রাজি হয়েছিলেন। তা মানতে চাননি উদ্যোক্তারা। তাঁরা জোরজবরদস্তি করতে থাকেন, ১৫ হাজার টাকাই দিতে হবে। অভিযোগ, এর পরেই একদল ছেলে এসে গ্যারাজের দুই কর্মী মধু মণ্ডল ও পিন্টু চৌধুরীকে বেধড়ক মারধর করে। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বারুইপুর থানার পুলিশ। অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখার পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, তা জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। অভিযুক্তদের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি।
গ্যারাজের এক কর্মী বলেন, ‘আগের দিন ওরা এসে চাঁদার ১৫ হাজার টাকা বিল দিয়ে যায়। আমরা হাজার টাকা দিতে চাইলে তা নিতে চায়নি। উল্টে আমাদের প্রত্যেকের নামে আলাদা বিল করে ১৫ হাজার টাকা চায়। দিতে পারিনি বলে মারধর করেছে। আমরা থানায় সবটা জানিয়ে এসেছি। সিসিটিভি ফুটেজও আছে।’
FAQ
১. বারুইপুরে চাঁদা নিয়ে কী অভিযোগ উঠেছে?
১৫ হাজার টাকা চাঁদা না দেওয়ায় একটি গ্যারাজের দুই কর্মীকে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
২. আক্রান্ত দুই গ্যারাজ কর্মীর নাম কী?
আক্রান্তদের নাম মধু মণ্ডল ও পিন্টু চৌধুরী।
৩. কত টাকা চাঁদা চাওয়া হয়েছিল?
অভিযোগ অনুযায়ী, একটি পুজো কমিটির লোকজন ১৫ হাজার টাকা চাঁদা চান। গ্যারাজ কর্তৃপক্ষ ১ হাজার টাকা দিতে রাজি হয়েছিলেন।
৪. কোথায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে?
বারুইপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন আক্রান্তরা।
৫. ঘটনার কোনও সিসিটিভি ফুটেজ রয়েছে?
গ্যারাজের এক কর্মীর দাবি, ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ রয়েছে। পুলিশ অভিযোগের সত্যতা যাচাই করছে।