নিজস্ব প্রতিবেদক · ১৭ অক্টোবর, ২০২৬ ৪:২৮ অপরাহ্ন
সিলেট নগরের খাদিমপাড়ায় নির্মাণাধীন ভবন থেকে প্রহরী ইরফান আলীর (৬০) মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় মামলা হয়েছে। নিহতের ছেলে মোশহিদ শুক্রবার রাতে শাহপরাণ (রহ.) থানায় মামলাটি করেন।
এ ঘটনায় ভবনে কর্মরত ১৩ শ্রমিককে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হলেও পরে তাঁদের ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। তবে তাঁদের পুলিশের অনুমতি ছাড়া এলাকা ত্যাগ না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে খাদিমপাড়ার ৪ নম্বর রোডের নুর প্যালেস নামের নির্মাণাধীন ভবনের চতুর্থ তলা থেকে ইরফান আলীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথা ও শরীরে আঘাতের চিহ্ন ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইরফান আলীর বাড়ি গোয়াইনঘাট উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের নয়াগ্রামে। তিনি প্রায় আড়াই বছর ধরে ওই ভবনে রাতের নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছিলেন। শুক্রবার সকালে ভবনের অন্য শ্রমিকেরা চতুর্থ তলায় তার মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। পরে শাহপরাণ (রহ.) থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
ঘটনার পর ভবনে কর্মরত ১৩ শ্রমিককে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, রাত ১২টা পর্যন্ত ইরফান আলী তাদের সঙ্গে ছিলেন। পরে সকালে তারা চতুর্থ তলায় তার মরদেহ দেখতে পান। ঘটনাস্থল থেকে একটি হাতুড়ি ও একটি রড জব্দ করেছে পুলিশ।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে শাহপরাণ (রহ.) থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস আহমেদ বলেন, এটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক ১৩ শ্রমিককে পরে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ওরা বর্তমানে ওই ভবনে কাজ করছেন। পুলিশের অনুমতি ছাড়া তাদের এলাকা ত্যাগ না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ইরফান আলীর ছেলে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের দায়ি করে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে। আমরাও হত্যার প্রকৃত কারণ এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে।
গুগলে আমাদের খবর পেতে
