সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য উৎপাদনে কৃষকদের সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা জোরদার করা সম্ভব। এ ধরনের উদ্যোগ কৃষকদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি টেকসই কৃষি উন্নয়নেও সহায়ক হবে।
রামুত উপজেলায় কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে পুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তা জোরদারকরণ প্রকল্পের (প্রো-এ্যাক্ট বাংলাদেশ) আওতায় জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরেে তিন দিনব্যাপী কৃষি প্রযুক্তি ও পুষ্টি মেলা-২০২৬ শুরু হয়েছে।
১৪ অক্টোবর থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত রামু উপজেলা কৃষি অফিস চত্বরে এ মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
মেলা উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জিল্লুর রহমান।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, কক্সবাজারের উপপরিচালক ড. বিমল কুমার প্রামাণিক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কক্সবাজারের অতিরিক্ত উপপরিচালক তপন কুমার রায়, মহেশখালী উপজেলা কৃষি অফিসার মো. আব্দুল গাফফার, রামু উপজেলা কৃষি অফিসার তানজিলা রহমান, পেকুয়া উপজেলা কৃষি অফিসার ফারুক হোসেন চৌধুরী, রামু উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার সুশান্ত দেবনাথ শুভ,কৃষি তথ্য সার্ভিস কক্সবাজারের কর্মকর্তা মোঃ লোকমান হাকিম প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধি, সাংবাদিক এবং প্রকল্পের আওতাভুক্ত উপকারভোগী কৃষক-কৃষাণী ও স্থানিয় কৃষকরা উপস্থিত ছিলেন।
মেলার মূল উদ্দেশ্য হলো কৃষকদের মধ্যে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার ও সম্প্রসারণ, পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য উৎপাদন, নিরাপদ খাদ্যাভ্যাস এবং খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। পাশাপাশি কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, বসতবাড়িতে পুষ্টিবাগান স্থাপন, বৈচিত্র্যময় খাদ্য গ্রহণ এবং জলবায়ু সহনশীল কৃষিচর্চার প্রসারেও এ ধরনের মেলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
মেলায় কৃষি প্রযুক্তি ও পুষ্টিবিষয়ক বিভিন্ন তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে কৃষক-কৃষাণীদের আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি, উন্নত কৃষি প্রযুক্তি এবং পুষ্টি ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে ধারণা দেওয়ার বিভিন্ন স্টলের প্রদর্শনের মাধ্যমে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য উৎপাদনে কৃষকদের সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা জোরদার করা সম্ভব। এ ধরনের উদ্যোগ কৃষকদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি টেকসই কৃষি উন্নয়নেও সহায়ক হবে।
