মন্দারমণিতে স্নান করতে নেমে অঘটন। মৃত্যু হল শ্যালক ও ভগ্নিপতির। নিহতেরা হলেন শাহিদ খান ও সাহিল খান। তাঁরা দু’জনেই দর্জির কাজ করতেন। এই ঘটনায় হাওড়ার বাঁকড়ায় নেমেছে শোকের ছায়া।
দুই যুবকের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বুধবার দশমীর ভোরে মহম্মদ শাহিদ তাঁর শ্যালক মহম্মদ সাহিলকে সঙ্গে নিয়ে মন্দারমণি যান। যাঁরা দিঘা ও মন্দারমণিতে গিয়েছিলেন তাঁদের প্রত্যেকেরই বাড়ি বাঁকড়ার নিউ মণ্ডলপাড়া ও রশিকল এলাকায়। তাঁদের সঙ্গে আশপাশের বন্ধুবান্ধব মিলিয়ে আরও ৫টি পরিবার ছিল। শাহিদ ও সাহিলের বন্ধু মহম্মদ চাঁদও তাঁর পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে মন্দারমণি গিয়েছিলেন।
মহম্মদ চাঁদের মা রেহানা বেগম শুক্রবার জানান, ‘‘আমাদের ভালো লাগছিল না বলে বৃহস্পতিবার সকালে মন্দারমণি থেকে দিঘায় চলে যাই। দিঘায় গিয়ে একটা অন্য হোটেলে উঠি। আর আমার ছেলে ও শাহিদ, সাহিলরা মন্দারমণিতে থেকে যায়। বৃহস্পতিবার দুপুরবেলা খাওয়াদাওয়ার পর আমার ছেলে কী করছে মন্দারমণিতে তা জানতে ফোন করি। আমি আমার ছেলেকে ফোন করে জানতে পারি ওরা সমুদ্রে স্নান করতে নেমেছে। এমনকী ওরা স্নান করতে নেমে তলিয়ে যায়। ওরা যখন তলিয়ে যাচ্ছিল তখন আমার ছেলে ওদের বাঁচাবার চেষ্টা করে। কিন্তু পারেনি ওরা তলিয়ে যায়।’’
উল্লেখ্য, দিঘা-মন্দারমণিতে এই ধরণের দুর্ঘটনা নতুন নয়। তাই সমুদ্রে স্নানের ক্ষেত্রে বরাবরই সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয় পুলিশের তরফে। তারপরও বারবার একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটেই চলেছে। পুজোর আগেই দিঘা-মন্দারমণি তলিয়ে বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে। তাতেও হুঁশ ফেরেনি কারও।
