প্রতিবেশী যুবকের সঙ্গে মেলামেশায় আপত্তি জানিয়েছিলেন ঠাকুমা। সেই রাগে প্রেমিককে সঙ্গে বৃদ্ধাকে খুনের অভিযোগ উঠল নাতনির বিরুদ্ধে। বিষয়টিকে ধামাচাপা দেওয়ারও চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ। কিন্তু এক আত্মীয়ের সন্দেহ হওয়ায় তিনি পুলিশে খবর দেন। পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। ঘটনাটি কর্নাটকের।
এক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, প্রথমে স্বাভাবিক মৃত্যু বলেই চালানোর চেষ্টা হয়। কিন্তু এক আত্মীয় খুনের অভিযোগ দায়ের করার পর বৃদ্ধার নাতনিকে আটক করা হয়। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই আসল ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, গত ১০ অক্টোবর প্রেমিককে বাড়িতে ডাকে কিশোরী। অভিযোগ, তার পর বৃদ্ধাকে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়।
তদন্তকারী সূত্রের খবর, বৃদ্ধা ঘুমোচ্ছিলেন। রাত তখন ১১টা। তাঁকে ডেকে তোলে নাতনি। আগে থেকেই বাড়িতে হাজির ছিল কিশোরীর প্রেমিক আকাশ। বৃদ্ধা ঘুম থেকে উঠতেই তাঁর মুখে কাপড় গুঁজে দেওয়া হয়, যাতে তিনি চিৎকার করতে না পারেন। অভিযোগ, তার পর একটি ওড়না দিয়ে বৃদ্ধার গলায় ফাঁস লাগিয়ে দেওয়া হয়। বৃদ্ধার মৃত্যু নিশ্চিত হতে পালান আকাশ। পরদিন সকালে এক আত্মীয় বৃদ্ধার খোঁজ নিতে আসেন। কিন্তু তাঁর কোনও সাড়াশব্দ পাননি বলে দাবি। বৃদ্ধার নাতনি ওই আত্মীয়কে জানায়, ঠাকুমা ঘুমোচ্ছেন। আত্মীয় ঘরে ঢুকে বৃদ্ধাকে ডাকতে গিয়ে দেখেন তিনি নিথর হয়ে পড়ে রয়েছেন। তার পরই হুলস্থুল পড়ে যায়। কিশোরী দাবি করে, রাতে সে ঘুমোচ্ছিল। কখন কী হয়েছে কিছুই জানে না। কিন্তু ওই আত্মীয় বৃদ্ধার গলায় কালশিটে দাগ দেখতে পান। তখনই তাঁর সন্দেহ হয়। তিনি পুলিশে খবর দেন। তার পরই বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। কিশোরীর প্রেমিক পলাতক। তাঁর খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।
