Published on
:
2 min read
এই সময়, জলপাইগুড়ি: ধর্মের বেড়াজাল পার করে ধনদেবীর আরাধনায় মিলে যায় দুই সম্প্রদায়। জলপাইগুড়ি সদর ব্লকের গড়ালবাড়িতে একই ছবি দেখা যায় প্রতি বছর। হিন্দু-মুসলিমের সম্মিলিত উদ্যোগে উৎসব পরিণত হয়েছে সৌভ্রাতৃত্বের মিলনমেলায়।
গড়ালবাড়ির শোভার হাট এলাকার লক্ষ্মীপুজো শতাব্দীপ্রাচীন বলে দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের। সেরু পাড়ায় ১০২ বছর ধরে চলে আসছে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো ও মেলা। তৎকালীন জমিদার মধুসূদন দাস এই পুজোর সূচনা করেন। জমিদারি প্রথার অবলুপ্তির পরে প্রায় ৪৫-৫০ বছর আগে পুজোর দায়িত্ব নেন স্থানীয় বাসিন্দারা। রবীন্দ্রনাথ হালদার, সুরেন্দ্রনাথ অধিকারী, বশির আহমেদ ও মংলু মহম্মদদের উদ্যোগে জমিদারের পুজো হয়ে ওঠে বারোয়ারি। সেই থেকে একই জায়গায় হয়ে চলেছে লক্ষ্মীপুজো ও মেলা।
আগামী রবিবার কোজাগরী পূর্ণিমা। সে দিন পুজোর পাশাপাশি তিন দিন ধরে চলবে মেলা। এই উৎসবে সামিল না হলে বোঝা যাবে না সম্প্রীতির ছবিটা কতটা মধুর। আয়োজন ও পরিচালনায় রাম-রহিম মিলে একাকার। পুজো কমিটির সহ-সভাপতি মফিদার রহমান। বলেন, 'পুজোর উপকরণ সংগ্রহ থেকে মেলার সমাপ্তি পর্যন্ত প্রায় ৮০ শতাংশ কাজ করেন মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ। এখানে ধর্মীয় ভেদাভেদের কোনও জায়গা নেই, সকলেই একসঙ্গে উৎসবে সামিল হন। জলপাইগুড়ি ছাড়াও কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার এবং বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকা থেকেও বহু মানুষ এই মেলায় আসেন কেনাকাটা করতে।'
জলপাইগুড়ি শহর থেকে মেরেকেটে ১০ কিলোমিটার গেলেই শোভার হাট। সেখানে পাঙ্গা নদীর সেতু পেরোলেই সেরুপাড়ায় মধুবাবুর মেলার মাঠ। ওই মাঠেই শুরু হয়েছে পুজো এবং মেলার আয়োজন। পুজোর সঙ্গে থাকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও। ভাওয়াইয়া পালাগানের আসর বসবে। হবে নৃত্য প্রতিযোগিতা। উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শিল্পীরা সোমবার উপস্থিত হবেন। পুজো কমিটির সভাপতি রঞ্জিত হালদার। তাঁর কথায়, 'কর্মসূত্রে বাইরে থাকা এলাকার বহু যুবক দুর্গাপুজোয় বাড়ি
