আজকাল ওয়েবডেস্ক: মাঠ কাঁপিয়েছেন। চমক ছিলেন রাজনীতির ময়দানেও। সেই ইউসূফ পাঠানই বাংলার বিধানসভা ভোটের পর, তৃণমূল থেকে সরে এনসিপিআই-এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। অর্থাৎ দেশের রাজনীতিতে এখন বিরোধী জোটের বদলে, এনডিএ'র শরিক দলে। আর তার মাঝেই বড় সুখবর সাংসদের জন্য। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ভদোদরায় পাঠান পরিবারের বাড়ির সংলগ্ন জমি নিয়ে মামলা চলছিল। ইউসুফ পাঠান ২০১২ সাল থেকেই ওই জমির অংশ পাওয়ার চেষ্টা করছিলেন, কিন্তু মাঝে ছিল দীর্ঘ আইনি ও প্রশাসনিক লড়াই। আপাতত তা মিটেছে। রাজ্যের উচ্চতর কর্তৃপক্ষ ইউসূফের দাবি প্রত্যাখ্যান করে। তাদের যুক্তি ছিল, সরকারি সম্পদ হস্তান্তরের ক্ষেত্রে স্বচ্ছ নিলাম প্রক্রিয়া অনুসরণ করা আবশ্যক।
তথ্য, ওই জমিটির আয়তন প্রায় ১,০০০ বর্গমিটার এবং এটি ভদোদরার তানদালজা এলাকায় পাঠান পরিবারের বাসভবনের পাশেই অবস্থিত। ইউসূফ এবং ইরফান ওই বাড়িতেই থাকেন পরিবারের সঙ্গে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার হওয়ার সুবাদে নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে ২০১২ সালে প্রথম এই জমিটি চেয়েছিলেন ইউসূফ।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, দীর্ঘ কয়েক বছরের আইনি ও প্রশাসনিক টানাপোড়েনের পর, রাজ্য প্রশাসন বিতর্কিত জমি সংক্রান্ত বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য একটি কাঠামো তৈরি করেছে। এই কাঠামোর আওতায়, ইউসুফ পাঠান জমির অর্ধেক অংশ সরকারের কাছ থেকে ‘উপহার’ হিসেবে পাবেন এবং বাকি অর্ধাংশের জন্য তাঁকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ তাঁকে দিতে হবে।
তথ্য, সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, জমিটির মূল্যের অর্ধেক অংশ গুজরাট থেকে উঠে আসা এবং জাতীয় পর্যায়ে প্রতিনিধিত্বকারী বিশিষ্ট আন্তর্জাতিক ক্রীড়াবিদদের জন্য প্রণীত বিশেষ কল্যাণমূলক নীতিমালার মাধ্যমে সমন্বয় করা হবে। এতে মূলত, ইউসূফ পাঠান এই জমির অর্ধেক অংশ সরকারি উপহার হিসেবে বিনামূল্যে পাবেন।
জমির বাকি ৫০ শতাংশ মূল্যের—যা প্রায় কয়েক কোটি, সেই টাকা দিতে হবে পাঠানকে। বর্তমানে রাজ্যের রাজস্ব বিভাগ এবং পৌর কর্তৃপক্ষকে জমি হস্তান্তরের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
https://www.youtube.com/watch?v=JwFdq_tA9cE
