রাজধানীর মোহাম্মদপুরের চন্দ্রিমা হাউজিং এলাকার বাসা থেকে ওষুধ কেনার কথা বলে বের হয়েছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক অধ্যাপক দুলাল কান্তি ভৌমিক।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে তিনি বের হলেও রাত ১০টা পর্যন্ত বাসায় ফেরেননি।
দুলাল কান্তি ভৌমিক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন। নিখোঁজের পর তার সন্ধান চেয়ে চিকিৎসক স্ত্রী কল্পনা হালদার মোহাম্মদপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। তবে দীর্ঘ সময়েও সাবেক এই শিক্ষকের সন্ধান না মেলায় স্বজন ও পরিবারের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়েছে।
পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দুলাল কান্তি ভৌমিক তার বাসার আশপাশের এলাকা চেনেন, পথের ভুলে তার নিখোঁজ হওয়ার সম্ভাবনা নেই। আবার পরিবারের জানামতে তার তেমন শত্রুও নেই, যারা তার ক্ষতি করতে তুলে নিতে পারে। তা ছাড়া তাকে কেউ ‘অপহরণ’ করলেও মুক্তিপণ চাইত, সেই ধরনের কোনো দাবিও পরিবারের কাছে করা হয়নি।
মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হালিম বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক নিখোঁজের ঘটনায় আমরা তদন্ত করছি। ইতোমধ্যে পুলিশের একাধিক টিম সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহে কাজ করছে। তবে নিখোঁজের সময় দুলাল কান্তি ভৌমিকের কাছে মোবাইল ফোন ছিল না। এতে তাৎক্ষণিকভাবে তার অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।’
ওসি বলেন,‘আমার নিখোঁজ শিক্ষকের পরিবার ও স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে তথ্য নিচ্ছি। তিনি নিখোঁজ হতে পারেন কী কারণে, সেই তথ্য নেওয়া হচ্ছে।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও নিখোঁজ শিক্ষকের ফুফাতো ভাই ড. আশীষ তালুকদার কালবেলাকে বলেন, ‘দুপুর ১২টার দিকে নীল রঙের হাফ শার্ট ও একটি চকলেট কালারের প্যান্ট পরে বাসার পাশের ফার্মেসিতে ওষুধ কিনতে গিয়েছিলেন অধ্যাপক দুলাল ভৌমিক। বাসার পাশে হওয়ায় তিনি মোবাইল ফোনও নেননি। কিন্তু বাসা থেকে বের হওয়ার পর তার সন্ধান মিলছে না। দীর্ঘ সময়েও অবস্থান শনাক্ত করা যায়নি। এতে তারা চিন্তিত।’
