

চৌদ্দগ্রামে সম্প্রীতির বার্তা, ডা. তাহের এমপি'র পক্ষ থেকে হিন্দু সম্প্রদায়ের নারীদের উপহার সামগ্রী বিতরণ
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় উপনেতা ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের এম.পি’র পক্ষ থেকে উপজেলার মুন্সীরহাটের ডাকরা ও বাংপাইয়ের হিন্দু সম্প্রদায়ের মা বোনদের মাঝে উপহার বিতরণ করেছেন স্থানীয় জামায়াত নেতৃবৃন্দ।
শনিবার (১৭ই অক্টোবর) বিকেলে উপহার বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত চৌদ্দগ্রাম উপজেলার সেক্রেটারি মু. বেলাল হোসাইন, মুন্সিরহাট ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি সাখাওয়াত হোসেন শামিম, যুব নেতা মোশাররফ হোসাইন, ৪নং ওয়ার্ড যুব বিভাগ সভাপতি মিজান ভূঁইয়া, স্থানীয় পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি গোপাল চন্দ্র দেবনাথ, হিন্দু ধর্মীয় নেতা নেপাল চন্দ্র দেবনাথ, চৌদ্দগ্রাম সাব রেজিস্টার অফিসের দলীল লিখক শ্যামল চন্দ্র দেবনাথ, পরিমল চন্দ্র দেবনাথ, মনমোহন সূত্রধর প্রমুখ।
সাংবাদিক আলিফ হত্যার প্রতিবাদে নকলায় কর্মরত সাংবাদিকদের নিন্দা ও প্রতিবাদ সভা
নেত্রকোনার দুর্গাপুরে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল রূপসী বাংলার জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন শেরপুরের নকলা উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকরা। একই সঙ্গে এ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাতে নকলা হলচত্বরে সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির অস্থায়ী কার্যালয়ে নকলা উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের আয়োজনে এক নিন্দা ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ বুলেটিনের সাংবাদিক শফিউল আলম লাভলু। সভা সঞ্চালনা করেন আজকের বাংলাদেশের সাংবাদিক রাইসুল ইসলাম রিফাত। সভায় বক্তারা বলেন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হত্যার ঘটনা স্বাধীন সাংবাদিকতা এবং গণমাধ্যমের নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ। পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কোনো সাংবাদিক যেন সহিংসতার শিকার না হন, তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। বক্তারা আরও বলেন, সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে। পাশাপাশি সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তাঁরা। সভায় উপস্থিত সাংবাদিকরা নিহত সাংবাদিকের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন দেশ রুপান্তের সাংবাদিক শফিউজ্জামান রানা, অপরাধ তথ্যচিত্রের সাংবাদিক আরিফুর রহমান, জাতীয় অর্থনীতি ও ন্যাশনাল কান্ট্রি টুডের নাহিদুল ইসলাম রিজন, বৈশাখী টিভি অনলাইনের সজিব মিয়া, সময়ের কথার মোস্তাক আহমেদ, বাংলাদেশ বুলেটিন ও যায়যায়দিনের মাসুম বিল্লাহ রাকিব, নন্দিত টিভির নয়ন শেখ, মোহনা টিভির আবদুল্লাহ আল-আমিন, আলোকিত সকালের এম এ ফিরোজ, দেশের খবরের আলামিন হাসানসহ নকলায় কর্মরত বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা।

চন্দনাইশে অসহায় ও দুস্থ সনাতনীদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ
চট্টগ্রামের চন্দনাইশে গাছবাড়ীয়া সার্বজনীন হরিমন্দির পূজা উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে ধর্মীয় সম্প্রীতি, মানবিক মূল্যবোধ ও সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় গাছবাড়ীয়া সার্বজনীন হরিমন্দির প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-১৪ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব জসিম উদ্দিন আহমেদ। অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ আলম, বিপিএম। অনুষ্ঠানে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে বস্ত্র বিতরণের মাধ্যমে মানবিক সহমর্মিতা, সামাজিক সংহতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্যের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এ ধরনের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের মধ্যে সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠনগুলোর এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ একটি শান্তিপূর্ণ, সহনশীল ও সম্প্রীতিময় সমাজ গঠনে ইতিবাচক অবদান রাখে। পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহমর্মিতা ও সামাজিক দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অটুট রাখা সম্ভব। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া আংশিক) আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব জসীম উদ্দীন আহমেদ। প্রধান আলোচক ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ আলম, বিপিএম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন চন্দনাইশ উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সভাপতি বাবু অরূপ রতন চক্রবর্তী। গাছবাড়ীয়া সার্বজনীন হরিমন্দির পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি ডাঃ মিলন ধরের সভাপতিত্বে এবং চন্দনাইশ উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও মন্দির স্থায়ী কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার ভব শংকর ধরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার ডিএসবি মো: রবিউল ইসলাম, চন্দনাইশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. আবদুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মোঃ রেজাউল ইসলাম, সহকারী পুলিশ সুপার (আনোয়ারা সার্কেল) মোঃ মাহমুদুল হাসান, জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের ডিআইও-১ মোঃ আনোয়ার হোসেন, চন্দনাইশ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস.এম দিদারুল ইসলাম সিকদার, চন্দনাইশ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এমএ হাশেম রাজু, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ।

শারদীয় দুর্গোৎসবে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৩০০ নারীর হাতে প্রধানমন্ত্রীর উপহার
দুর্গাপূজায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৩০০ নারী পেলেন প্রধানমন্ত্রীর উপহার। চাঁপাইনবাবগঞ্জে শারদীয়া দুর্গোৎসবে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে ৩০০ নারীকে নতুন শাড়ি দেয়া হয়েছে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের টাউন ক্লাবে আনুষ্ঠানিকভাবে শাড়িগুলো বিতরণ করা হয়। শাড়ি বিতরণ উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বিএনপির এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য (চাঁপাইনবাবগঞ্জের দায়িত্বপ্রাপ্ত) মোসাঃ সানজিদা ইয়াসমিন তুলি। এসময় তিনি সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন— প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সকল ধর্মকে সমান গুরুত্ব দেন। সকল ধর্মের মানুষ তাদের ভোটের মাধ্যমে বিএনপিকে ক্ষমতায় বসিয়েছে। কাজেই আপনারা সুন্দরভাবে যেন শারদীয় উৎসব উদ্যাপন করতে পারেন, সে জন্য প্রধানমন্ত্রী এই উপহার পাঠিয়েছেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একার পক্ষে কোনো কাজ করা সম্ভব নয়, তাই সকলের সহযোগিতায় এই চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাকে একটি উন্নত জেলা হিসেবে গড়ে তোলা হবে। যে কোনো প্রয়োজনে তাকে বা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব কিংবা অন্যা কোনো নেতার মাধ্যমে তার শরণাপন্ন হলে তিনি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেবেন বলে জানান। এছাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমেও দাবি-দাওয়া জানানোর জন্য তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান। জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম জাকারিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত শাড়ি বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন— সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মারুফ আফজাল রাজন ও জেলা বিএনপির সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম। জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. গোলাম জাকারিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারুফ আফজাল রাজন, বিশেষ অতিথি জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. রফিকুল ইসলাম, আইনজীবী গোলাম কবির, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি কামরুজ্জামান মুক্তা, সাবেক জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান অনু, সাবেক জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো: সেলিম রেজা,অ্যাডভোকেট মো: আব্দুস সালাম তালুকদার আহবায়ক সদর উপজেলা যুবদল, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ধনঞ্জয় চ্যাটার্জি এসময় বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সনাতন ধর্মালম্বী নারীদের হাতে শাড়ি তুলে দেন সংসদ সদস্য মোসাঃ সানজিদা ইয়াসমিন তুলি। এ সময় তিনি বলেন,শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে প্রধানমন্ত্রী এ অনন্য উদ্যোগ নিয়েছেন। সবার সঙ্গে ভাগাভাগি করে নেওয়া উৎসবের আনন্দ। সমাজের অসহায় ও দুস্থ মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই মূল লক্ষ্য আমাদের প্রধানমন্ত্রী লক্ষ্য।

টাঙ্গাইলে লালন সাঁইয়ের ১৩৬তম তিরোধান দিবস পালিত
টাঙ্গাইলে অসাম্প্রদায়িক চেতনার আলোকবর্তিকা, আধ্যাত্মিক সাধক ও বাউল সম্রাট ফকির লালন সাঁইয়ের ১৩৬তম তিরোধান দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) জেলা প্রশাসনের উদ্যোগ ও জেলা শিল্পকলা একাডেমির সহযোগিতায় এ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র্যালি, আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এদিন বিকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়। লালনভক্ত ও সংস্কৃতিকর্মীদের অংশগ্রহণে র্যালিটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে ‘জনসেবা চত্বরে’ এসে শেষ হয়। পরবর্তীতে সেখানে এক আলোচনা সভা ও লালনগীতির আসর অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক আবু সাঈদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক উপ-মন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টু এমপি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শামসুল আলম। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) মো. সেলিম মিয়া। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মাহমুদুল হক সানু, জেলা জাসাসের সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমান তুহীন, টাঙ্গাইল ল’ কলেজের অধ্যক্ষ খান মোহাম্মদ খালেদ ও স্থানীয় লালনভক্ত, গবেষক ও স্কৃতিকর্মীরা। অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন শিল্পকলা একাডেমির কালচারাল অফিসার সৈয়দা সেলিনা আক্তার ও জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা খন্দকার নিপুন হোসাইন। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাবেক উপ-মন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টু এমপি বলেন, ‘লালন সাঁইজির দর্শন কেবল গান বা সুরের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এটি মানুষের আত্মিক মুক্তির পথ দেখায়। জাত-পাত ও ধর্মের ভেদাভেদ ভুলে তিনি যে মানবতার বাণী প্রচার করে গেছেন- তা বর্তমান সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে অত্যন্ত জরুরি।’ সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ বলেন, ‘লালনের অসাম্প্রদায়িক চেতনা তরুণ প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে জেলা প্রশাসন ও শিল্পকলা একাডেমি নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। তিনি কেবল একজন সাধকই ছিলেন না বরং তিনি ছিলেন বাঙালি সংস্কৃতির এক আলোকবর্তিকা।’ আলোচনা সভা শেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে জেলা শিল্পকলা একাডেমির শিল্পী ও আমন্ত্রিত লালনভক্ত বাউল শিল্পীরা একতারা-দোতারার সুরে লালন সাঁইয়ের আধ্যাত্মিক ও দেহতত্ত্বের গান পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জেলা শিল্পকলা একাডেমির প্রতিনিধি, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গ এবং বিপুল সংখ্যক লালন অনুরাগী উপস্থিত ছিলেন।

চন্দনাইশে অসহায় ও দুস্থ সনাতনীদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ
চট্টগ্রামের চন্দনাইশে গাছবাড়ীয়া সার্বজনীন হরিমন্দির পূজা উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে ধর্মীয় সম্প্রীতি, মানবিক মূল্যবোধ ও সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় গাছবাড়ীয়া সার্বজনীন হরিমন্দির প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-১৪ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব জসিম উদ্দিন আহমেদ। অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার জনাব মোঃ মাসুদ আলম, বিপিএম। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ডিএসবি মো: রবিউল ইসলাম, চন্দনাইশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব মোঃ আবদুর রহমান এবং চন্দনাইশ থানার অফিসার ইনচার্জ এস. এম. দিদারুল ইসলাম সিকদার উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে বস্ত্র বিতরণের মাধ্যমে মানবিক সহমর্মিতা, সামাজিক সংহতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্যের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এ ধরনের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের মধ্যে সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠনগুলোর এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ একটি শান্তিপূর্ণ, সহনশীল ও সম্প্রীতিময় সমাজ গঠনে ইতিবাচক অবদান রাখে। পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহমর্মিতা ও সামাজিক দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অটুট রাখা সম্ভব। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া আংশিক) আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব জসীম উদ্দীন আহমেদ। প্রধান আলোচক ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ আলম, বিপিএম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন চন্দনাইশ উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সভাপতি বাবু অরূপ রতন চক্রবর্তী। গাছবাড়ীয়া সার্বজনীন হরিমন্দির পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি ডাঃ মিলন ধরের সভাপতিত্বে এবং চন্দনাইশ উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও মন্দির স্থায়ী কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার ভব শংকর ধরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চন্দনাইশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. আবদুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মোঃ রেজাউল ইসলাম, সহকারী পুলিশ সুপার (আনোয়ারা সার্কেল) মোঃ মাহমুদুল হাসান, জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের ডিআইও-১ মোঃ আনোয়ার হোসেন, চন্দনাইশ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস.এম দিদারুল ইসলাম সিকদার, চন্দনাইশ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এমএ হাশেম রাজু, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ।


