Published on
:
1 min read
এই সময়, আসানসোল: বাবার সঙ্গে ঝাড়খণ্ডের মিহিজাম থেকে চিত্তরঞ্জন রেলশহরের একটি বোটিং ক্লাবে বেড়াতে এসে শ্লীলতাহানির শিকার হলো এক ১০ বছরের নাবালিকা। শুক্রবার সন্ধ্যার এই ঘটনার পরে পলাতক অভিযুক্ত যুবককে শনিবার গ্রেপ্তার করেছে চিত্তরঞ্জন থানার পুলিশ। ধৃতের নাম সুজিত ঠাকুর ওরফে ছোটু। তাঁর বাড়ি মিহিজামে হলেও চিত্তরঞ্জনে রেলকর্মী দাদার কাছে থাকেন তিনি। যদিও এই ঘটনায় বিনোদনস্থলটির নিরাপত্তা ও নজরদারি ব্যবস্থা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠেছে।
অভিযোগ, শুক্রবার বিকেলে ওই নাবালিকা যখন বাবার সঙ্গে ওই ক্লাবে ধুরছিল, তখন এক সময়ে তার বাবা কাছে না-থাকার সুযোগ নিয়ে এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি তার সঙ্গে অশোভন আচরণ করে। ঘটনার পরেই অভিযুক্ত ক্লাব চত্বর ছেড়ে চম্পট দেয়। নাবালিকার মা জানান, ঘটনার খবর পেয়ে তিনি দ্রুত পৌঁছন। কিন্তু সিসিটিভি ফুটেজ দেখতে চাইলে ক্লাব কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে ক্যামেরা খারাপ থাকার কথা জানানো হয়। এই বিষয়ে ক্লাব পরিচালকের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া না গেলেও, অভ্যন্তরীণ ক্যামেরা অচল থাকলেও সংলগ্ন এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে এবং ওই নাবালিকার পরিবারের থেকে অভিযুক্তর চেহারা বর্ণনা নিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে চিত্তরঞ্জন থানার পুলিশ।
এ দিকে, বিনোদনমূলক এই ক্লাবের সিসিটিভি ক্যামেরা অচল থাকা এবং সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার চরম গাফিলতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ক্ষুব্ধ বাসিন্দারা। কেন ক্যামেরা অচল ছিল, ক্যামেরাগুলি নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ কেন করা হয় না— এ সব প্রশ্ন উঠছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সিসিটিভি ক্যামেরা বিকল থাকার দাবি সত্য হলে তা নিছক প্রযুক্তিগত ত্রুটি বলে এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। কারণ, জনসাধারণের বিনোদনস্থলে নিরাপত্তার ব্যবস্থা কতটা কার্যকর, তা যাচাই করা জরুরি।
