শিষ্যার শ্লীলতাহানির অভিযোগ স্বঘোষিত গুরুর বিরুদ্ধে। তা থেকে বচসা, হাতাহাতি। সেই বিশৃঙ্খলার মধ্যেই এক শিয্যের মাথায় ইটের আঘাত করেন এক ব্যক্তি। তাতেই মৃত্যু ব্যক্তির। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে হুগলির কানাইপুর গঙ্গা অ্যাকশন প্ল্যান্ট লাগোয়া কলোনিতে।
এরপরই মহিলাকে সমর্থন করে একটি দল। গুরুর সমর্থনে কথা বলে থাকে অন্যরা। সেই বচসার সময় সুখচাঁদের মাথায় জনৈক গণেশ হালদার ইটের বাড়ি মারেন বলে অভিযোগ। আশঙ্কাজনক অবস্থায় সুখচাঁদকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে তাঁকে বাঁচানো যায়নি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম সুখচাঁদ সমাদ্দার। তিনি হুগলির কোন্নগরের বাসিন্দা। তাঁকে ইটের আঘাতে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনায় গ্রেপ্তার স্বঘোষিত গুরু গোপালকৃষ্ণ গোস্বামী ও জনৈক গণেশ হালদার।
হাবড়ার বাসিন্দা গোপালকৃষ্ণ গোস্বামী স্বঘোষিত গুরু! কানাইপুরে গোপালকৃষ্ণের কয়েকজন শিষ্য রয়েছেন। তিনি সোমবার হুগলির কোন্নগরের কানাইপুরে যান। সোমবার রাতে এক শিষ্যার বাড়িতে ওঠেন। ওই গুরুর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে তিনি এক শিষ্যের স্ত্রীকে খারাপভাবে স্পর্শ করেন। শ্লীলতাহানির অভিযোগ তোলেন ওই মহিলা। এই অভিযোগ উঠতেই গোলমাল শুরু। মহিলা জানান, তিনিও আগেও শুনেছেন অন্য মহিলাদের খারাপভাবে স্পর্শ করেছেন গুরুদেব। গণেশও সেই বক্তব্যকে সমর্থন করেন।
এরপরই মহিলাকে সমর্থন করে একটি দল। গুরুর সমর্থনে কথা বলে থাকে অন্যরা। সেই বচসার সময় সুখচাঁদের মাথায় জনৈক গণেশ হালদার ইটের বাড়ি মারেন বলে অভিযোগ। আশঙ্কাজনক অবস্থায় সুখচাঁদকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে তাঁকে বাঁচানো যায়নি। ঘটনার খবর যায় পুলিশে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে গণেশকে। শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন ওই গুরু গোপালকৃষ্ণ গোস্বামী। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
