হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতাছবি: সংগৃহীত
Published on
:
1 min read
সম্পর্কের সমীকরণ বদলেছে, দাম্পত্য বিচ্ছেদের আইনি লড়াইও এখনও শেষ হয়নি। তবু নিজের বিশ্বাস, পছন্দ আর জীবনদর্শনে অটল অনিন্দিতা চট্টোপাধ্যায়। বিধায়ক-অভিনেতা হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতাকে এ বার দেখা গেল সাবেকি সাজে। সাদা-লাল পাড় শাড়ি, রূপোর গয়না আর সিঁথি ভরা সিঁদুরে সেজে প্রতিবছরের মতো এ বারও নিজেদের আবাসন আরবানায় প্রতিমা বরণ করতে হাজির হয়েছিলেন তিনি। তাঁর সাজ নজর কাড়লেও, দাম্পত্য বিচ্ছেদের মামলা চলাকালীন সিঁথি ভরা সিঁদুর পরার সিদ্ধান্ত ঘিরেই উঠেছে প্রশ্ন। আর সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে নিজের দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্ট করলেন অনিন্দিতা।
বাংলার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিসরে সিঁদুরের সঙ্গে বিবাহিত নারীর পরিচয় দীর্ঘদিন ধরেই ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে। বিশেষত দুর্গাপুজোর দশমীতে সিঁদুরখেলা কিংবা প্রতিমা বরণের সময় লাল সিঁদুরে সেজে ওঠার মধ্যে রয়েছে বহুদিনের ঐতিহ্য। তবে সময়ের সঙ্গে সেই পরিচিত রীতির অর্থ নিয়েও নানা আলোচনা সামনে এসেছে। একজন নারী কেন সিঁদুর পরবেন, তার ব্যাখ্যা কি কেবল দাম্পত্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে? অনিন্দিতার বক্তব্য সেই প্রশ্নকেই নতুন করে সামনে আনে।
অনিন্দিতা সিঁদুরকে তিনি শুধু দাম্পত্যেক অনুষঙ্গ হিসেবে দেখেন না। তাঁর কাছে লাল রং শক্তির প্রতীক, যা তাঁকে মানসিক ভাবে শক্তি জোগায়। একই সঙ্গে এক নারী যখন অন্য নারীর গালে সিঁদুর ছুঁইয়ে দেন, তখন সেই মুহূর্তের মধ্যেও তিনি খুঁজে পান বিশেষ অর্থ। তাঁর মতে, একে অপরের গালে সিঁদুর পরিয়ে দেওয়া আসলে একে অন্যের পাশে থাকার প্রতীক।
