পুরভোটের প্রার্থী নির্বাচন নিয়ে দলের মধ্যে কোনও ক্ষোভ থাকুক তা চাইছে না বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। তাই কারও একক সিদ্ধান্তে প্রার্থী ঠিক হবে না। গ্রাউন্ড জিরো থেকে নাম আসবে, তারপর জেলা-নির্বাচন কোর কমিটি ও রাজ্যস্তর হয়ে তারপর প্রার্থীদের ফাইনাল নাম ঘোষণা হবে। পুরভোট নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে এমনই নির্দেশ রাজ্য নেতাদের দিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সুনীল বনশল।
এদিকে, অক্টোবরের মধ্যেই কলকাতা ও হাওড়া পুরভোটের প্রার্থীতালিকা চূড়ান্ত করে নিতে চাইছে বঙ্গ বিজেপি। তারপরই প্রথম দফার তালিকা প্রকাশ করা হবে। কলকাতা ও হাওড়া পুরভোট নিয়েই বুধবার দুপুরে সল্টলেক বিজেপি অফিসে বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় নেতা সুনীল বনশল, রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, কলকাতা পুরভোটের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার এবং হাওড়া পুরভোটের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা সাংসদ রাহুল সিনহা ছাড়াও বৈঠকে ছিলেন রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) অমিতাভচক্রবর্তী, দুই বিধায়ক সঞ্জয় সিং ও রুদ্রনীল ঘোষ-সহ দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদকরা।
কলকাতা ও হাওড়া পুরসভার নির্বাচন নভেম্বরের শেষে হওয়ার কথা। ওয়ার্ডভিত্তিক প্রার্থীদের নামের তালিকা রাজ্য নেতৃত্বের কাছে এসেছে। প্রতিটা ওয়ার্ড থেকে দাবিদারের সংখ্যা সর্বাধিক ১০ জনও কোথাও কোথাও পৌঁছে গিয়েছে। পাশাপাশি মুরলীধর সেন লেনের অফিসে ড্রপ বক্স বসিয়েও সাধারণ মানুষের কাছ থেকে প্রার্থী হওয়ার আবেদনপত্র জমা নেওয়া হচ্ছে। বৈঠক সূত্রে খবর, লক্ষ্মীপুজো মিটলেই প্রার্থী হওয়ার আবেদনপত্রগুলি নিয়ে আলোচনা শুরু করে সেখান থেকে বাছাই শুরু হবে। কালীপুজোর মধ্যেই চূড়ান্ত করে নেওয়া হবে প্রার্থীদের নাম। পুরসভা নির্বাচনে প্রার্থী বাছাইয়ের পদ্ধতি কী হবে, সাংগঠনিক প্রস্তুতি কীভাবে এগোবে এবং নির্বাচনের আগে দলের সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে তা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। পুরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় রণকৌশল নিয়েও আলোচনা হয়েছে। এদিকে, কেন্দ্রীয় বিজেপির তরফে সদ্য নিযুক্ত বঙ্গ বিজেপির সংগঠন দেখার দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা সৌদান সিংও এদিন বৈঠকে ছিলেন। তাঁর সঙ্গে পরিচয়পর্বও সারেন রাজ্য বিজেপির শীর্ষনেতারা।
