তাঁকে নিয়ে বিতর্কের যেন শেষ নেই। কখনও প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড়কে নিয়ে রসিকতা থেকে সংসদে দাঁড়িয়ে ‘ছু কিত কিত’ মন্তব্য। আবার যৌথ সংসদীয় কমিটির বৈঠকে কাচের বোতল ছুঁড়ে বিতর্কে নাম জড়িয়েছিল তাঁর। এছাড়া বিরোধী রাজনীতিকদের আক্রমণেও তাঁর জুড়ি মেলা ভার। তবে উৎসবে রাজনীতিক পরিচয় দূরে সরিয়ে রেখে যেন একেবারে ঘরের ছেলের ভঙ্গিমায় বরাবরই দেখা যায় তাঁকে। এবারও দুর্গাপুজোয় আবেগে ভাসলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। হাউহাউ করে কাঁদতে দেখা গেল দুঁদে আইনজীবী তথা শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে।
শ্রীরামপুর ৫ ও ৬ পল্লি গোষ্ঠী ও ব্যবসায়ী সমিতির পুজোর প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রতি বছরই জমকালো পুজো করতেন শ্রীরামপুর স্টেশন সংলগ্ন আরএমএস মাঠে। অষ্টমী ও নবমীর সন্ধিক্ষণে এই পুজোতে প্রতিবছর কেঁদে ভাসাতেন কল্যাণ। পালাবদলের পর আরএমএস মাঠের পুজো এখন বিজেপির হাতে। এবার সেই পুজোয় ঠাঁই মেলেনি কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের। শ্রীরামপুরেই যে আবাসনে থাকেন সেই গঙ্গা দর্শন আবাসনের পুজোতে দেখা গেল কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সন্ধিপুজো শেষে কেঁদে ভাসালেন তিনি।
যেকোনও পুজোতেই সমান ভূমিকায় দেখা যায় তাঁকে। বাঁকুড়ার দোলতলার আদি বাড়ির কালীপুজোয় অংশ নেন সাংসদ। নিজে হাতে পুজোর সরঞ্জাম জোগাড় করেন। আরতিও করেন। নিজের হাতে কালীপুজোও করেন। পুজোর পর অবশ্য আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন সাংসদ। দেবী প্রতিমাকে জড়িয়ে ধরে কাঁদেন তিনি। কান্নাভেজা গলায় “ভবতারিণী মা, জয় তারা,” ধ্বনি দিতেও শোনা গিয়েছে তাঁকে। বছরের পর বছর তাঁর কান্নার ভিডিও সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। ঠিক এবারেও সমান ভাইরালে সাংসদের কান্না।
