ভারতের অর্থনীতির উদারীকরণ (১৯৯১) ৩৫ বছরে পড়ল। তাই হিসাব কষা চলছে, শিল্প বা পরিষেবা ক্ষেত্রের তুলনায় বিশ্বায়নের নীতিতে কৃষিক্ষেত্রে লাভ হয়েছে কতটুকু। চাষির সরকার-নির্ভরতা আগের তুলনায় কমেছে, অথবা বিদেশের বাজারে ভারতের কৃষি-উৎপাদনের চাহিদা বেড়েছে, এমন দাবি আজও করা চলে না। বরং অর্থনৈতিক সংস্কারের পর শিল্প ও পরিষেবা ক্ষেত্রের দ্রুত বৃদ্ধি হওয়ায় মোট জাতীয় উৎপাদনে (জিডিপি) কৃষির ভাগ কমে এসেছে। অথচ, এখনও গ্রামাঞ্চলে অধিকাংশ মানুষের জীবিকা কৃষিকাজ। কৃষিতে সংস্কারের চিত্রটি জটিল। ভারতের চাষিকে ‘সুরক্ষিত’ রাখতে মুক্ত বাণিজ্যের চুক্তিগুলিতে ভারত সরকার বরাবরই ধান-গমের মতো প্রধান শস্য, তৈলবীজ, দুধ প্রভৃতি পণ্যকে চুক্তির বাইরে রাখতে চেয়েছে। খাদ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য কৃষিপণ্য রফতানিতে রাশ টেনেছে। অপর পক্ষে, সরকার সংস্কার আনতে চাইলে কৃষক সংগঠনগুলি তীব্র আপত্তি করেছে, এবং ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে (এমএসপি) ফসলের সরকারি খরিদের দাবিকে প্রবল ভাবে তুলে ধরেছে। কৃষক আন্দোলনের প্রতি নাগরিক সমাজের সহানুভূতি থাকলেও প্রশ্ন উঠেছে, করদাতার টাকায় চাষিকে সার-বিদ্যুতে ভর্তুকি, সুলভ ঋণ থেকে শুরু করে ফসলের ক্রয়, মজুত ও বণ্টনের বিপুল ব্যয় অনির্দিষ্ট কালের জন্য জুগিয়ে যাওয়াই কি উপযুক্ত নীতি?
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
Best Value
এক বছরে
5,148
1,999
এক মাসে
429
169
মেয়াদ শেষে নতুন দামে আপনাকে নতুন করে গ্রাহক হতে হবে
Subscribed already? Log in
সাবস্ক্রাইবার হলে আপনি পাচ্ছেন
পুরনো দিনের খবর মিলবে আর্কাইভে
আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন
Monday - Saturday: 10 am to 6 pm (except public holidays).
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
