ভারত-নিউজিল্যান্ড সিরিজের কেবল দুই টি-টোয়েন্টি হয়েছে। এখনো বাকি তিন ম্যাচ। দুই ম্যাচ হেরে কোণঠাসা অবস্থায় নিউজিল্যান্ড। এই অবস্থাতেই দলে একাধিক পরিবর্তন আনল কিউইরা।
ভারতের বিপক্ষে চলমান টি-টোয়েন্টি সিরিজের মাঝেই ছয় ক্রিকেটারকে ‘ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্ট’-এর অংশ হিসেবে বিভিন্ন জায়গায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট (এনজেডসি)। এক বিবৃতিতে আজ এনজেডসি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যাঁদের মধ্যে ম্যাট হেনরি সিরিজের বাকি টি-টোয়েন্টি খেলবেনই না।
লকি ফার্গুসন টি-টোয়েন্টি সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে খেলবেন না। ২৭ অক্টোবর ওয়েলিংটনে হবে ভারত-নিউজিল্যান্ড সিরিজের তৃতীয় টি-টোয়েন্টি। তবে তিনি চতুর্থ ও পঞ্চম টি-টোয়েন্টি খেলবেন বলে আশা করা যাচ্ছে। ৩০ অক্টোবর অকল্যান্ডে হবে চতুর্থ টি-টোয়েন্টি। সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টি ১ নভেম্বর হবে হ্যামিল্টনে।
এদিকে কাইল জেমিসন প্রথম দুই টি-টোয়েন্টির কোনোটিতেই খেলেননি। তৃতীয় টি-টোয়েন্টি খেলতে ওয়েলিংটনে যাবেন। সেখানে থেকে ৩১ অক্টোবর ওয়েলিংটনের বিপক্ষে ক্যান্টারবারির ফোর্ড ট্রফির দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচ খেলার প্রস্তুতি নেবেন। আর ম্যাট ফিশারকে তৃতীয় টোয়েন্টির দলে কাভার হিসেবে নেওয়া হয়েছে।
ব্লেয়ার টিকনার শেষ তিন টি-টোয়েন্টি খেলতে ওয়েলিংটনে নিউজিল্যান্ড দলে যোগ দেবেন। এই টি-টোয়েন্টি খেলতে ম্যাট ফিশার দলের সঙ্গে ওয়েলিংটনে যাবেন। তবে এরপর তিনি নিউজিল্যান্ড ‘এ’ দলে ফিরবেন। সেখানে ভারত ‘এ’ দলের বিপক্ষে দ্বিতীয় চার দিনের ম্যাচ খেলতে যোগ দেবেন। এরপর ওয়ানডে সিরিজ খেলতে তিনি অকল্যান্ডে যাবেন। এদিকে জশ ক্লার্কসন অকল্যান্ডে যাবেন এবং শেষ দুটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবেন বলে নিউজিল্যান্ডের আশা।
ভারত-নিউজিল্যান্ড সিরিজের প্রথম দুই টি-টোয়েন্টি হয়েছে ক্রাইস্টচার্চে। হেনরি এখানেই থাকবেন। এ কারণে শেষ তিন টি-টোয়েন্টি তাঁর খেলা হচ্ছে না। ৪ নভেম্বর ভারতের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডের আগে তিনি অকল্যান্ডে যাবেন।
পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ শেষে ভারত-নিউজিল্যান্ড ওয়ানডেও খেলবে পাঁচ ম্যাচ। ৪ নভেম্বর অকল্যান্ডে শুরু পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। ওয়েলিংটনে ৭ নভেম্বর হবে দ্বিতীয় ওয়ানডে। ১০ নভেম্বর হবে তৃতীয় ওয়ানডে। এই ম্যাচের ভেন্যু হ্যামিল্টন। শেষ দুই ওয়ানডে হবে মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে। ১৩, ১৫ নভেম্বর হবে চতুর্থ ও পঞ্চম ওয়ানডে। তারপর ভারত-পাকিস্তান দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলবে।
