এক দিনে হাম উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু
প্রকাশ: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২৩ পিএম
আপডেট: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২৫ পিএম
খবরের কাগজ গ্রাফিকস।
-->সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে সন্দেহ ও নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন এক হাজার ৩৫ জন।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগে হাম উপসর্গে একজন ও চট্টগ্রামে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে গত ১৫ মার্চ থেকে হাম ও হামের উপসর্গে এ পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে এক হাজার ১৮৯ জন। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে ১০৪ জন ও হামের উপসর্গ নিয়ে এক হাজার ৮৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
আরও পড়ুন
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ৯৫০ জনের শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে মোট সন্দেহভাজন সংক্রমণের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ১১ হাজার ৯৯০ জনে। এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৫ জন। এ নিয়ে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৩ হাজার ৫৭ জনে।
গত ১৫ মার্চ থেকে সারা দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম সন্দেহে এক লাখ ৮৮ হাজার ৪৫২ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন এক লাখ ৮০ হাজার ৮৪৮ জন।
আরও পড়ুন
এএফ/
আরও পড়ুন
পার্বত্য অঞ্চলের সব সমস্যা রাতারাতি সমাধান সম্ভব নয়: ভূমি প্রতিমন্ত্রী
প্রকাশ: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২২ পিএম
আপডেট: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১৮ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->রাঙামাটিসহ পার্বত্য অঞ্চলের সব সমস্যা রাতারাতি সমাধান করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে জেলার সার্বিক উন্নয়ন ও আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক সমন্বয় সভা শেষে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘পাহাড়ের সব সমস্যা রাতারাতি সমাধান করা সম্ভব নয়। কিছু প্রশাসনিক সমস্যা রয়েছে, যা চাইলেই দ্রুত সমাধান করা যাচ্ছে। আর রাজনৈতিক সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য আলোচনা চলছে। আশা করছি শিগগিরই সবকিছুর সমাধান হবে।’
আরও পড়ুন
মীর হেলাল বলেন, “সমস্যা যেখানে আছে সেখানে সমাধানও আছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত ‘রংধনু জাতি’ গঠনের দৃষ্টিভঙ্গি ও মূল ভাবনা পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলাতেই সবচেয়ে বেশি প্রতিফলিত হয়েছে।”
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘যদি কোনো বিষয়ে সন্দেহ বা অসঙ্গতি পরিলক্ষিত হয় অবহেলা না করে তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, পার্বত্য জেলা পরিষদ কিংবা বিএনপির স্থানীয় নেতাদের অবহিত করবেন।’
আরও পড়ুন
মীর হেলাল বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ দিকনির্দেশনায় এবার শারদীয় উৎসবে সরকারি বরাদ্দের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে। এ ছাড়াও কঠিন চীবর দান, প্রবারণা পূর্ণিমাসহ সব রকম উৎসব পালনের জন্য বরাদ্ধ বাড়ানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যা প্রতিশ্রুতি দেন, তা বাস্তবে তার চেয়েও বেশি অর্জন করে দেখান। তার আদর্শ ও দর্শনকে অনুসরণ করে একটি স্বনির্ভর ও রংধনু জাতি গঠনের মাধ্যমে বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে মর্যাদাপূর্ণ স্থানে প্রতিষ্ঠিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।’
রাঙামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন সাবেক পার্বত্যমন্ত্রী সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান, রাঙামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দীপন তালুকদার দীপু, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর রাঙামাটি সদর জোন কমান্ডার লে. কর্নেল একরামুল রাহাত, জেলা পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আব্দুর রকিব, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশিদ মামুনসহ জেলার বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
পরে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে জেলার ৪৭টি পূজামণ্ডপের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিনিধিদের হাতে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ২৫ লাখ টাকার চেক আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেন প্রতিমন্ত্রী। এ ছাড়াও তিনি রাঙামাটির বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন।
জিয়াউর জুয়েল/খাদিজা রুমি/
আরও পড়ুন
আজিমপুর সরকারি কোয়ার্টারের অপরিচ্ছন্নতায় ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী, সময় দিলেন ২ সপ্তাহ
প্রকাশ: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১৩ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত
-->রাজধানীর আজিমপুর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কোয়ার্টারের অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ দেখে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পুরো এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দুই সপ্তাহের সময় বেঁধে দিয়েছেন তিনি।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাজধানীর আজিমপুর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কোয়ার্টার আকস্মিক পরিদর্শনকালে এ নির্দেশ দেন তিনি।
পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী কোয়ার্টারের এলাকা, চলাচলের পথ ও সার্বিক পরিবেশ ঘুরে দেখেন। এ সময় পরিচ্ছন্নতার ঘাটতি দেখে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে এর কারণ জানতে চান। কোয়ার্টারের রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থাপনা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা দেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে কোয়ার্টারের সার্বিক পরিচ্ছন্নতা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।
আরও পড়ুন
এ সময় কোয়ার্টারের বাসিন্দারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে এলাকার অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরেন। তারা আবাসিক এলাকার পরিবেশ উন্নয়ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ জানান।
প্রধানমন্ত্রী বাসিন্দাদের অভিযোগ মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সমস্যাগুলো সমাধানের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেন।
আরও পড়ুন
পরিদর্শনের একপর্যায়ে কোয়ার্টারে বসবাসরত শিশুদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী।
এ সময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম উপস্থিত ছিলেন।
মো. আলী/রিফাত/
আরও পড়ুন
রেইনবো নেশন গড়ার বার্তা দিতে চট্টগ্রামে আসছেন প্রধানমন্ত্রী: চসিক মেয়র
প্রকাশ: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩৭ পিএম
আপডেট: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০০ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->‘রেইনবো নেশন’ বা বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যের বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার বাস্তবায়নের বার্তা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চট্টগ্রামের জেএম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে আসছেন বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী জেএম সেন হলে শারদীয় দুর্গাপূজার পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।
পরিদর্শন শেষে ৫০০ সনাতনী নারীর হাতে পূজার উপহারসামগ্রী তুলে দেন মেয়র। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান।
আরও পড়ুন
মেয়র শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এমন একটি বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার করেছেন, যেখানে ধর্ম, বর্ণ ও সম্প্রদায় নির্বিশেষে সব মানুষ সমান মর্যাদা ও অধিকার নিয়ে বসবাস করবেন। রেইনবো নেশনের ধারণা বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে সম্প্রীতি, সহাবস্থান ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ভিত্তিতে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য সামনে রেখেই প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামে আসছেন।’
নগরে দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে উদযাপনের লক্ষ্যে নেওয়া বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরে মেয়র বলেন, ‘নগরে পূজা উদযাপন সুন্দরভাবে শুরু হয়েছে এবং সুষ্ঠুভাবে চলছে। পূজামণ্ডপে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখা, দর্শনার্থীদের নির্বিঘ্ন যাতায়াত এবং জনসাধারণের চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এসব সিদ্ধান্তের আলোকে সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা কাজ করছেন।’
আরও পড়ুন
তিনি বলেন, ‘নগরের আন্দরকিল্লা, দেওয়ান বাজারসহ বিভিন্ন এলাকার পূজামণ্ডপের শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা এবং ম্যাজিস্ট্রেটরা মাঠে আছেন। পাশাপাশি পূজামণ্ডপ ও আশপাশের এলাকায় শৃঙ্খলা বজায় রাখা, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং দর্শনার্থীদের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা দূর করতে পরিচ্ছন্নতা বিভাগ কাজ করছে।’
মেয়র জানান, চট্টগ্রাম মহানগরীর ১৬টি থানার ২৯৪টি পূজামণ্ডপে মোট ১৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া জেএম সেন হল পূজামণ্ডপে পাঁচ লাখ টাকা এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন পূজা উদযাপন পরিষদের জামালখান এলাকার কুসুমকুমারী পূজামণ্ডপে ১৫ লাখ টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া সিটি করপোরেশনের চারটি সেবক কলোনিতে বসবাসরত হরিজন সম্প্রদায়ের জন্য প্রতিটি কলোনিতে ৫০ হাজার টাকা করে মোট দুই লাখ টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে দুর্গাপূজা উপলক্ষে মোট ৩৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশরাফুল আমিন, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক অর্পণ কান্তি ব্যানার্জী, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নিখিল কুমার নাথ, মহানগর বিএনপির সদস্য আনোয়ার হোসেন লিপু, চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দিপ্তী, গিয়াস উদ্দিন ভূইয়া, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি রাজীব ধর তমাল, মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক বিপ্লব সেন, কল্যাণ ফ্রন্টের যুগ্ম সম্পাদক বাবু দত্ত, কারা পরিদর্শক উজ্জ্বল বরণ বিশ্বাস, মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সহসভাপতি সৌরভ প্রিয় পাল এবং প্রশান্ত কুমার পান্ডে প্রমুখ।
খাদিজা রুমি/
আরও পড়ুন
নিয়মবহির্ভূত যা আছে তাই সরকার পরিচ্ছন্ন করবে: কৃষিমন্ত্রী
প্রকাশ: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫০ পিএম
আপডেট: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৮ পিএম
কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন। ছবি: খবরের কাগজ
-->নিয়মবহির্ভূত যা আছে তাই সরকার পরিচ্ছন্ন করবে বলে মন্তব্য করেছেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন।
তিনি বলেন, ‘দেশের প্রতিটি জায়গায় সরকার পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালাবে। পরিচ্ছন্নতা বলতে শুধু রাস্তার ময়লা-আবর্জনাকেই বুঝবেন না, পরিচ্ছন্নতা বলতে যেখানে যত নিয়ম বহির্ভূত কর্মকাণ্ড যা আছে ওটাকেই পরিচ্ছন্নতা বলে। একদিনে এটা কভার হওয়ার কথা না। তবে সবখানেই পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো হবে।’
শনিবার (১৭ অক্টোবর) বেলা কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে আয়োজিত মাসব্যাপী ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি ২০২৬’ এর উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
আরও পড়ুন
কর্মসূচির অংশ হিসেবে এদিন সকাল থেকেই হাসপাতালজুড়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার তোড়জোড় শুরু হয়। ড্রেন পরিষ্কার, ময়লা-আবর্জনা অপসারণসহ হাসপাতালের বিভিন্ন স্থান পরিচ্ছন্ন করার কাজে নেমে পড়ে সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা। সকাল থেকেই পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড, বারান্দা ও আঙিনা ধোয়া-মোছার কাজ করেন। পাশাপাশি হাসপাতালের আশপাশে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা সরিয়ে ড্রেন পরিষ্কারের কাজ করেন। পরে মন্ত্রী নিজে এসেও ড্রেনের ময়লা আবর্জনা পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা কাজে অংশ নেন।
এ সময় মন্ত্রী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন আরও বলেন, ‘নিয়ম অনুযায়ী আমি এ হাসপাতালে আসার কথা না, আমি কৃষি সেক্টরের। যেহেতু আমার বাড়ি এখানে, স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রতিটি বড় হাসপাতালে একটি করে কমিটি গঠন করা হয়েছে। ওই কমিটির মধ্যে এই কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কমিটিতে প্রটোকল অনুযায়ী আমাকে সভাপতি করা হয়েছে। এখানে আমার বাড়ি হওয়ায় আমি সবাইকে চিনি। এখানে অনিয়ম আছে- একেবারে পরিস্কার হয়েছে এটা সঠিক নয়, কিন্তু সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যত ধরণের অপরিস্কার জিনিস আছে সবকিছু পরিচ্ছন্নতার আওতায় আসবে। এটা শুধু ড্রেনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না। পরিচ্ছন্ন করার যত জায়গা আছে সবখানের জাতীর প্রয়োজনে দেশের প্রয়োজনে জনগণের প্রয়োজনে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চলবে।’
আরও পড়ুন
এ সময় কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মামুন, নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সায়েম ভূঁইয়া, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মাছুম হাছান ও হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. মো. শাহজাহানসহ বিভিন্ন কর্মকর্তা কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
শান্ত/রিফাত/
